দেশের নিত্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণে অসাধু সিন্ডিকেটগুলো প্রতিনিয়ত তাদের কৌশল বদলাচ্ছে। সাধারণ মানুষের পকেট কাটতে এবার তারা বেছে নিয়েছে অভিনব এক পথ। প্রথমে বাজার থেকে পণ্য সরিয়ে নিয়ে কৃত্রিম সংকট তৈরি করা এবং পরবর্তীতে সেই সংকটকে পুঁজি করে সরকারকে চাপে ফেলে পণ্যের দাম বাড়িয়ে নেওয়া। জ্বালানি তেল, এলপিজি গ্যাস, চাল-ডাল, ভোজ্যতেল, চিনি, মসলা, বেকারি পণ্য থেকে শুরু করে প্রায় প্রতিটি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে এই চক্রের অদৃশ্য হাত সক্রিয় রয়েছে।
নিত্যপণ্যের বাজারের এই অস্থিরতার সঙ্গে গ্যাসের সংকট ও মূল্যবৃদ্ধির পাঁয়তারা সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে আরো দুর্বিষহ করে তুলেছে। বাজারে রান্নার গ্যাসের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে অতিরিক্ত দাম আদায়ের অভিযোগ এখন নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনায় পরিণত হয়েছে। বর্তমানে সরকার নির্ধারিত দামে মিলছে না রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার। কিনতে হচ্ছে নির্ধারিত দামের থেকে এক-দেড় হাজার টাকা বেশি দিয়ে। কোথাও আবার গ্যাস পেতে টাকা দিয়ে এক দিন অপেক্ষা করতে হয়। সংশ্লিষ্টদের মতে, আমদানিতে সামান্য ঘাটতিকে পুঁজি করে এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী অতিরিক্ত মুনাফা লুফে নেওয়ার জন্য ইচ্ছাকৃতভাবে এই সংকট জিইয়ে রাখে।
বিভিন্ন এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বাজারে পণ্যের পর্যাপ্ত মজুত বা আমদানি থাকা সত্ত্বেও বড় বড় পাইকারি বাজার ও গুদাম থেকে সুকৌশলে পণ্য কমিয়ে দেয়। এর ফলে হঠাৎ করেই খুচরা বাজারে তীব্র ঘাটতি দেখা দেয়। পণ্যের এই হাহাকার তৈরি হলে সাধারণ ক্রেতারা বাধ্য হয়ে চড়া দামে তা কিনতে শুরু করেন। একই সঙ্গে সরবরাহ সংকটের অজুহাত দেখিয়ে ব্যবসায়ীরা নীতিনির্ধারক মহলে বা সরকারের কাছে দাম বাড়ানোর নানামুখী প্রস্তাব পাঠাতে শুরু করেন। পরবর্তীতে বাধ্য হয়ে বা পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার নির্ধারিত মূল্য কিছুটা বাড়াতে বাধ্য হলে, সেই সুযোগে সিন্ডিকেট আরো বেশি মুনাফা লুটে নেয়। অতীতে জ্বালানি তেল বা ভোজ্যতেলের মূল্যবৃদ্ধির নেপথ্যেও একই কারসাজি কাজ করেছে বলে মনে করছেন বাজার বিশেষজ্ঞরা।
ভোক্তা অধিকার সংগঠন ও অর্থনীতিবিদদের মতে, কেবল প্রশাসনের নিয়মিত জরিমানা বা সাময়িক অভিযান দিয়ে এই শক্তিশালী সিন্ডিকেট ভাঙা সম্ভব নয়। এর জন্য প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদী ও কঠোর বাজার মনিটরিং ব্যবস্থা, আমদানিতে প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করা এবং সরবরাহ শৃঙ্খলা পুরোপুরি স্বচ্ছ রাখা। অন্যথায় সাধারণ মানুষের নিত্যদিনের এই দুর্ভোগ চলতেই থাকবে।
বাজারে নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি এবং সিন্ডিকেটের কারসাজি নিয়ে দেশের ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ সংস্থা ক্যাব দীর্ঘদিন ধরে জোরালো বক্তব্য ও প্রতিবেদন তুলে ধরে আসছে। ক্যাবের মতে, দেশের বাজারে পণ্যের যে অস্বাভাবিক দাম বাড়ে, তার বড় একটি অংশই (বিশেষ করে বড় একটি অংশ বা শতকরা হিসেবে প্রায় ৮০ ভাগ পর্যন্ত) ঘটে ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের কারসাজির কারণে। বিশ্ববাজারে সামান্য দাম বাড়লে বা দেশে দু-একটি পণ্যের সামান্য ঘাটতি থাকলে তা অসাধু ব্যবসায়ীরা সুযোগ হিসেবে নেয়।
এছাড়া ক্যাব প্রায়ই অভিযোগ করে যে, বড় বড় পাইকারি ব্যবসায়ী, মিলমালিক বা নির্দিষ্ট কিছু করপোরেট প্রতিষ্ঠান কৃত্রিমভাবে বাজারে পণ্যের সরবরাহ কমিয়ে দেয়। ফলে বাজারে হঠাৎ ঘাটতি দেখা দেয় এবং এই সুযোগে তারা সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করে পণ্যের দাম বাড়িয়ে নেয়। বিশেষ করে ভোজ্যতেল ও চালের বাজারে কিছু নির্দিষ্ট প্রভাবশালী মহলের একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি তারা বারবার তুলে ধরেছেন। ক্যাব মনে করে, বাজার সিন্ডিকেট ভাঙতে হলে শুধু সাধারণ বিক্রেতাদের জরিমানা বা সাময়িক অভিযান চালালে হয় না; এর জন্য প্রয়োজন শক্তিশালী সিন্ডিকেটের মূল হোতাদের চিহ্নিত করে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া। সরকারি সংস্থাগুলোর নজরদারির দুর্বলতার সুযোগেই এই চক্র বারবার পার পেয়ে যায় বলে তারা অভিমত ব্যক্ত করেন।
জানা গেছে, গত এপ্রিল মাসে মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকা-ইসরাইল-ইরানের যুদ্ধকে কেন্দ্র করে জ্বালানি তেলের সংকট দেখা দেয়। এই সংকট বহুগুণ বেড়ে যায় দেশি সিন্ডিকেটের কারসাজিতে। তবে সরকার তেলের দাম বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে পাল্টে যায় চিত্র। রাজধানীসহ সারা দেশে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করে। দেড় মাসের মতো পাম্পগুলোতে ছিল না যানবাহনের দীর্ঘ সারি। প্রায় ফাঁকা ছিল পাম্পগুলো। এর কিছুদিন পরই ফের যুদ্ধ ও হরুমুজ প্রণালির দোহাইয়ে উধাও হয়ে যায় জ্বালানি তেল। রাজধানীসহ জেলা শহরের ফিলিং স্টেশন বা পেট্রলপাম্পগুলোতে শুরু হয় তেল-যুদ্ধ, মাইলের পর মাইল যানবাহনের লম্বা সারি। এই যুদ্ধের দোহাই দিয়ে গোপনে একটি চক্র জালানি তেল মজুদ করে। কারো গরুর ঘরে, বাড়ির পেছনের জঙ্গলে, বাড়ির ছাদে ট্যাংক থেকে মজুদকৃত তেল উদ্ধার করে প্রশাসনের লোকজন। তবে সিন্ডিকেট বরাবরের মতোই থেকে যায় অধরা।
এরপর আরেক দফা জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর পর সরবরাহ এখন ‘স্বাভাবিক’। আগে যেখানে নির্দিষ্ট পরিমাণের বেশি তেল দেওয়া হতো না, এখন চালকরা ইচ্ছেমতো তেল নিতে পারছেন। এতে ভোগান্তি ছাড়াই দ্রুত সেবা পাচ্ছেন তারা। গ্রাহকদের অভিযোগ, তেলের দাম বাড়াতেই এতদিন জ্বালানি সংকট বহুগুণ বাড়িয়ে দেখানো হয়েছিল।
সম্প্রতি বাজারে সিলিন্ডার গ্যাসের চরম সংকট তৈরি হয় ভোক্তা পর্যায়ে। হঠাৎ করে বাজার থেকে উধাও গ্যাস সিলিন্ডার। হাজার টাকা বাড়তে দিলে মেলে কদাচিৎ। বাজারে কৃত্রিম সংকটের এই হাহাকারের মধ্যেই সরকারকে চাপে ফেলে ইতিমধ্যে এলপিজির দাম বাড়িয়ে নিয়েছে কোম্পানিগুলো। এতে সাধারণ মানুষ পড়েছে বিপাকে। এর পরপরই শুরু হয় বাজারে ভোজ্যতেলের সংকট। গত সোমবার ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে সরকারকে।
অজুহাত হিসেবে দেখানো হচ্ছে আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবৃদ্ধি এবং পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়াকে। এই দুই কারণে দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন। ধারণা করা হচ্ছে, বাকি সব পণ্যের মতো সরকার দাম বাড়ানোর পরই দোকানে দোকানে ফিরবে ভোজ্যতেল।
এদিকে ব্যবসায়ী নেতারা সবসময়ই সরাসরি ‘সিন্ডিকেট’বা কৃত্রিম সংকট তৈরির কথা অস্বীকার করে থাকেন। তাদের দাবি, বাজারে কোনো সিন্ডিকেট নেই, বরং মুক্তবাজার অর্থনীতিতে চাহিদা ও জোগানের ওপর ভিত্তি করেই পণ্যের দাম নির্ধারিত হয়। ভোজ্যতেল, চিনি বা জ্বালানির মতো আমদানীকৃত পণ্যের দাম বাড়লে ব্যবসায়ীরা আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবৃদ্ধি, ডলারের বিনিময় হার বা এলসি খুলতে জটিলতার বিষয়টিকে মূল কারণ হিসেবে দেখান।
তাদের মতে, বিশ্ববাজারে দাম বাড়লে বা আমদানিতে খরচ বেশি পড়লে দেশের বাজারে তার প্রভাব পড়াটা স্বাভাবিক। পাশাপাশি জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি, মহাসড়কে অতিরিক্ত পরিবহন খরচ বা নানা ধরনের চাঁদাবাজির কারণে পাইকারি বাজার থেকে খুচরা বাজারে পণ্য পৌঁছাতে খরচ অনেক বেড়ে যায়—ব্যবসায়ীরা প্রায়ই এই যুক্তি দিয়ে থাকেন।
তাদের দাবি, উৎপাদন পর্যায় থেকে ভোক্তা পর্যন্ত পৌঁছাতে বিভিন্ন ধাপে খরচ বাড়ায় খুচরা বাজারে তার প্রভাব পড়ে। তাদের বক্তব্য, প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা মৌসুম শেষের কারণে অনেক সময় খামারি বা কৃষকদের কাছ থেকেই কম পণ্য সরবরাহ পাওয়া যায়, যার ফলে বাজারে কিছুটা ঘাটতি দেখা দেয়।
অপরদিকে সরকারের পক্ষ থেকে বারবার বলা হয়েছে যে, কোনো অসাধু চক্র বা সিন্ডিকেটকে সাধারণ মানুষের পকেট কাটতে দেওয়া হবে না। বাজার অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানানো হয়। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত টাস্কফোর্স নিয়মিত বাজার তদারকি ও অভিযান পরিচালনা করে থাকে। অতিরিক্ত মূল্য আদায় বা কৃত্রিম সংকট তৈরির প্রমাণ পেলে জরিমানা বা গুদাম সিলগালা করার মতো পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
নিত্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এবং দাম নাগালের মধ্যে রাখতে সরকার প্রায়ই বিভিন্ন আমদানিনির্ভর পণ্যের ওপর শুল্ক বা কর মওকুফ কিংবা কমানোর পদক্ষেপ নেয়। পাশাপাশি এলসি খোলা সহজ করার জন্য ব্যাংকগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়। এছাড়া সাধারণ মানুষের কষ্ট লাঘবের জন্য ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)-এর মাধ্যমে সাশ্রয়ী মূল্যে বা ভর্তুকি মূল্যে তেল, চিনি, ডাল ও চাল সাধারণ মানুষের কাছে বিক্রি করার ব্যবস্থা রাখা হয়।
এ বিষয় কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইন দৈনিক এদিনকে বলেন, ‘এদেশে একটা অলিখিত নিয়ম চালু আছে, কোনো পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির আগে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করা। এরপর সরকারও তড়িঘড়ি করে দাম বাড়িয়ে দেয়। এতে বিপদে পড়ে সাধারণ মানুষ। তিনি বলেন, এবার এলপিজির ক্ষেত্রে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে মনিটরিং করার। কিন্তু তাদের হাতে এত সময় কই! তারা তো সরকারি দলের কর্মীদের প্রটোকল দিয়ে দিন শেষ।’
তিনি আরো বলেন, ‘দু-তিনটি কোম্পানি এই অপকর্মগুলো করছে। কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। এতে করে তারা বারবার এই কাজগুলো করে যাচ্ছে।
বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও সিপিডির ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের মতে, বাজারে শুধু সাময়িক অভিযান চালিয়ে বা জরিমানা করে মূল্যস্ফীতি কমানো সম্ভব নয়। তিনি মনে করেন, মুষ্টিমেয় কিছু বড় করপোরেট প্রতিষ্ঠান ও আমদানিকারকের হাতে বাজারের নিয়ন্ত্রণ চলে গেছে। এই সিন্ডিকেটের হাত থেকে বাজারকে মুক্ত করতে হলে প্রতিযোগিতা কমিশনকে আরো স্বাধীন ও শক্তিশালী করতে হবে এবং আমদানিতে প্রতিযোগিতা বাড়াতে হবে।
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ-সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন বলেন, প্রায়ই বিভিন্ন গবেষণায় দেখান যে, উৎপাদন খরচ বা আন্তর্জাতিক বাজারের তুলনায় দেশের বাজারে পণ্যের দাম অনেক বেশি বৃদ্ধি পায়। তাঁর মতে, সরবরাহ শৃঙ্খলে মধ্যস্বত্বভোগীদের অতিরিক্ত দৌরাত্ম্য এবং বিভিন্ন স্তরের চাঁদাবাজির কারণে পণ্যের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়। তিনি সঠিক ডেটা বা তথ্যের ভিত্তিতে বাজার মনিটরিং এবং বছরব্যাপী কঠোর নজরদারি রাখার ওপর জোর দেন।
সিপিডির বিশেষ ফেলো ও বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. মোস্তাফিজুর রহমানের মতে, নিত্যপণ্যের বাজার সিন্ডিকেট ভাঙতে হলে সরকারের নীতিগত সংস্কার প্রয়োজন। বিশেষ করে জালানি তেল, ভোজ্য তেলসহ সকল আমদানি পণ্যে। তিনি বলেন, যখনই কোনো পণ্যের সংকট তৈরি হয়, তখন হুট করে সিদ্ধান্ত না নিয়ে আগে থেকেই আমদানি ও মজুদের সঠিক হিসাব (ইনভেন্টরি ডেটা) রাখতে হবে। সিন্ডিকেটের হোতারা যাতে কোনো রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক প্রশ্রয় না পায়, সে বিষয়ে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন তিনি।
কৃষি অর্থনীতিবিদ ও বাজার বিশ্লেষক ড. মোহাম্মদ জয়নুল আবেদীন বলেন, কৃষিপণ্য, চাল, ডিম ও সবজির বাজার নিয়ে কথা বলতে গিয়ে বিশ্লেষকরা প্রায়ই বলেন যে, প্রান্তিক কৃষক ও খামারিরা তাদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য পান না, অথচ ভোক্তাকে চড়া মূল্য চুকাতে হয়। এর মূল কারণ হলো পাইকারি বাজার ও কোল্ড স্টোরেজ পর্যায়ে নির্দিষ্ট কিছু সিন্ডিকেটের কৃত্রিম সংকট তৈরি করার ক্ষমতা। উৎপাদক থেকে ভোক্তা পর্যন্ত সরাসরি বিপণন ব্যবস্থা চালু না করলে এই সিন্ডিকেট ভাঙা সম্ভব নয় বলে তিনি মনে করেন।
তিনি বলেন, সাধারণ মানুষের আয় বাড়েনি, অথচ প্রায় প্রতিটি নিত্যপণ্যের দাম যেভাবে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে, তাতে সংসার চালানো অসম্ভব হয়ে পড়েছে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









