সংসদের সদ্যসমাপ্ত অধিবেশনে সরকার জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোট বাস্তবায়নে জনগণের সাথে ‘প্রতারণা’ করছে বলে অভিযোগ এনে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছিল জামায়াত নেতৃত্বাধীন বিরোধীদলীয় জোট। কিন্তু নানা বাস্তবতায় এখনই সরকারের বিপক্ষে ‘কঠোর আন্দোলনে’ যাচ্ছে না তারা। এজন্য জোটটি পরিবর্তন আনছে তাদের পূর্বপরিকল্পিত আন্দোলনের ছকেও। সেই ছক অনুসারে কমপক্ষে আরো তিন বছর ‘নামকাওয়াস্তে’ আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার চিন্তা করছে দলটি।
মূলত প্রথমবারের মতো বিরোধী দলের আসনে বসা দলটি ‘ক্ষমতার স্বাদ’ ভোগের পাশাপাশি নিজেদের দুর্বলতা কাটিয়ে সাংগঠনিক ভিতকে শক্তিশালী করাসহ আরো কয়েকটি বিষয় মাথায় রেখে আন্দোলনের লক্ষ্যেই হাঁটার প্রস্তুতি নিচ্ছে তারা। সব মিলিয়ে ‘রয়েসয়ে’ সরকার-বিরোধী আন্দোলন করে সময় পার করাই এ জোটের মূল লক্ষ্য বলে জোটটির একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।
জানা গেছে, ক্ষমতাসীন সরকারকে রাজনৈতিক চাপে রাখার কৌশল অনুসরণ করে এগোচ্ছে জামায়াত, এনসিপিসহ বিরোধীদলীয় জোট। তারা ঐকমত্য কমিশনের প্রস্তাবিত সংস্কার ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নসহ বিভিন্ন ইস্যুতে রাজনীতির মাঠে সক্রিয় থাকার পরিকল্পনা নিয়েছে। উদ্দেশ্য- একদিকে সরকারকে চাপের মুখে রেখে দাবি আদায় করা, অন্যদিকে ভবিষ্যৎ নির্বাচনের জন্য জনমত গঠন করে তাদের পক্ষে নেওয়া।
তবে সংসদের সদ্যসমাপ্ত অধিবেশনে সংস্কার ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে সরকারি দলের পিঠটানের অভিযোগ এনে সংসদ গরম করলেও হঠাৎই যেন থমকে গেছে বিরোধী দলের কণ্ঠ। কারণ দীর্ঘ রাজনৈতিক অস্থিরতা ও ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর দেশের রাজনীতিতে চমক সৃষ্টিকারী বৃহৎ রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে জামায়াতের বর্তমান ভূমিকা নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহল ও সাধারণ মানুষের মনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে— দেশের চলমান নানা সংকটে কেন তারা রাজপথে বড় কোনো আন্দোলনের ডাক দিচ্ছে না?
জানা গেছে, মূলত প্রথমবারের মতো বিরোধী দলের আসনে যাওয়া জামায়াত-এনসিপি জোট তাদের নিজ নিজ দলের দুর্বলতা কাটিয়ে সংগঠনকে শক্তিশালী করতে চায়। কারণ আওয়ামী লীগবিহীন রাজনীতির মাঠে সংসদের প্রধান বিরোধী দল হওয়াটাও জামায়াতের জন্য বিরাট প্রাপ্তি। তারা যে কোনো মূল্যে এর সদ্ব্যবহার করতে চায়। তাই এখনই সরকারবিরোধী কঠোর আন্দোলনে গেলে নিজেদের ক্ষমতার স্বাদভোগসহ নিয়মিত কাজের ছন্দে পরিবর্তন আসাটা অনিবার্য হয়ে পড়বে। তাই জোটের পরিকল্পনা হচ্ছে আপাতত ‘নিয়মতান্ত্রিক’ আন্দোলন করে সময় পার করা।
এ ছাড়া জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোট ইস্যুতে সরকারের অবস্থানকে দুর্বল বলে বিবেচিত করে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েও হঠাৎ থমকে গেছে বিরোধী দল। এর নেপথ্যে বেশকিছু কারণ দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তারা মনে করছেন, বিরোধী দলে থেকে জামায়াত ও তাদের জোটের মিত্ররা যে সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছে সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে গেলে সেগুলোতে টান পড়তে পারে। বিশেষ করে জামায়াত ও এনসিপির তৃণমূলের সংগঠনে বিরাট প্রভাব পড়তে পারে। তার চেয়ে উভয় দল তাদের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড গুছিয়ে সময় করে সরকারবিরোধী কঠোর আন্দোলনের ডাক দিতে পারে।
তবে তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত বিএনপি সরকার বেশকিছু কারণে ইতিমধ্যে আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোট নিয়ে সরকারের অবস্থানকে ‘প্রতারণামূলক’ বলে মনে করছেন বিরোধী দলের নেতা-কর্মীরা। তাই এ ইস্যুতে বিরোধী দল কঠোর আন্দোলনের ডাক দিলে তা সামাল দিতে সরকারকে বেগ পেতে হতে পারে।
বিরোধী দল কঠোর আন্দোলনের ডাক না দেওয়ার কারণ হিসেবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বিরোধী দল শক্ত আন্দোলনের মাধ্যমে কোনোভাবে যদি সরকার ফেলেও দেয় তাহলে দেশের হাল ধরবে কে? জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ড. ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন হলেও এখন নতুন কোনো বিপ্লব হলে কেউ হাল ধরতে চাইবে না। যার ফলে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে বা মার্শাল ল’ জারি করে দেশ চালানো ছাড়া কোনো পথ খোলা থাকবে না। তখন কতদিন পর নির্বাচন হয় তার কোনো গ্যারান্টি কেউ দিতে পারবে না।
এক্ষেত্রে আওয়ামী লীগবিহীন বিবদমান রাজনৈতিক দলগুলোই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তা ছাড়া তিন মাস আগে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ না থাকায় তাদের শূন্যস্থান পূরণ করেছে জামায়াত। কিন্তু এখন আন্দোলন করে সরকারকে বিপদে ফেলতে চাইলে আওয়ামী লীগ সেই সুযোগ কাজে লাগাবে- এটা মোটামুটি নিশ্চিত। তাই জামায়াত জোট এ কাজটি করতে চায় না।
রাজনীতি-সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা আছে, সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে সংঘাতময় পরিস্থিতি তৈরি হলে তাতে কার্যক্রম-নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ফেরার সুযোগ তৈরি হবে। আর এমন পরিস্থিতিতে তিন দলেরই বিপদ বাড়তে পারে। বলা হচ্ছে, আওয়ামী লীগ দেশের রাজনীতিতে ফিরে ফের ক্ষমতায় যেতে পারলে কাউকে ছাড় দেবে না। বরং বিএনপির তুলনায় জামায়াত ও এনসিপি আওয়ামী লীগের বড় শত্রু- এমন আলোচনা আছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, রাজনীতিতে এসব আলোচনা ও পর্যালোচনার মুখে বিরোধীদের সরকার বোঝাতে চাইছে, অতিরিক্ত কঠোর আন্দোলনে গেলে দেশে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হতে পারে। তাছাড়া বিষয়টি বিরোধী দলের নেতারাও জানেন। সরকারের এমন কৌশলের উদ্দেশ্য হলো জামায়াতের সামনে দৃশ্যমান করা যে, তারা বেশি কঠোর অবস্থানে গেলে আওয়ামী লীগের ফেরার সুযোগ তৈরি হতে পারে।
অনেকের মতে, তিন দলের মধ্যে আওয়ামী লীগের ব্যাপারে এক ধরনের ভীতিও রয়েছে। ফলে রাজনীতির মাঠে যতই কঠোর অবস্থান দেখা যাক না কেন, আওয়ামী লীগ এবং শেখ হাসিনা প্রশ্নে শেষ পর্যন্ত বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপি ঐক্যবদ্ধ থাকবে বলে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন।
তবে জামায়াত বর্তমানে আন্দোলনের পরিবর্তে তাদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডকে প্রতিষ্ঠিত করতেই বেশি মনোযোগী বলে মনে করছেন অনেকেই। এর মধ্যে দলটি সংসদে সাংবিধানিক সংস্কার, আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনী প্রস্তুতি এবং সাংগঠনিক পুনর্গঠনকেই প্রাধান্য দিচ্ছে। এ ছাড়া জামায়াত নেতৃত্ব মনে করছে, এ মুহূর্তে রাজপথে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার চেয়ে রাষ্ট্রের কাঠামোগত সংস্কার বেশি জরুরি।
জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান সাম্প্রতিক এক বক্তব্যে স্পষ্ট করেছেন, তারা ইতিবাচক উদ্যোগে সরকারকে সমর্থন দিতে চান। তবে ‘জুলাই চার্টার’ বা গণঅভ্যুত্থানের চেতনা বাস্তবায়নের দাবিতে তারা অনড়।
গত ৯ মে ডা. শফিকুর রহমান বিদেশ সফর শেষে দেশে ফিরে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, দেশের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হলে তারা প্রতিরোধ গড়ে তুলবেন। তারা রাজপথে বড় মিছিল না করলেও সেমিনার ও ছোট কর্মসূচির মাধ্যমে সরকারের ওপর এক ধরনের 'সতর্ক চাপ' বজায় রাখছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জামায়াত বর্তমানে একটি ‘অপেক্ষার নীতি’ অনুসরণ করছে। তারা ২০২৪-এর আগের মতো হঠকারী কোনো আন্দোলনে গিয়ে নিজেদের শক্তি ক্ষয় করতে চাইছে না। জামায়াতের এ ‘ধীরে চলো’ নীতি এবং বড় কোনো আন্দোলনে না যাওয়ার কারণগুলোর মধ্যে রাষ্ট্র সংস্কারকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।
দলটি মনে করছে, গত ১৫ বছরের শাসন ব্যবস্থার ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে রাষ্ট্র সংস্কার না করে শুধু নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলন করলে দেশ আবার পূর্বের অবস্থায় ফিরে যেতে পারে। তাই তারা ক্ষমতাসীন সরকারকে সংস্কারের জন্য সময় দিতে আগ্রহী। এ ছাড়া দীর্ঘসময় ক্ষমতার বাইরে এবং চরম দমন-পীড়নের শিকার হওয়ায় দলটির সাংগঠনিক কাঠামোতে বড় ধরনের চোট লেগেছে। বর্তমানে তারা রাজপথের চেয়ে ঘরোয়া গোছগাছ, নতুন কর্মী সংগ্রহ এবং তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত সংগঠনকে শক্তিশালী করাকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।
অপরদিকে অতীতে আন্দোলনের নামে সহিংসতা বা অগ্নিসংযোগের মতো ঘটনায় জামায়াতের ওপর ‘চরমপন্থী’ তকমা লেগেছিল। বর্তমানে তারা সম্পূর্ণ নিয়মতান্ত্রিক, শান্তিপূর্ণ এবং বুদ্ধিবৃত্তিক রাজনীতির মাধ্যমে নিজেদের একটি 'মডারেট' বা সহনশীল রাজনৈতিক দল হিসেবে জনসমক্ষে প্রমাণ করতে চাইছে। একই সঙ্গে জামায়াত নেতৃত্ব মনে করে, এখন সরকারের বিরুদ্ধে বড় কোনো আন্দোলনে নামলে সেই সুযোগ নিয়ে পরাজিত শক্তির (আওয়ামী লীগ) পুনরুত্থান হতে পারে। জুলাই বিপ্লবের সুফল ধরে রাখতেই তারা বর্তমান সরকারকে আপাতত অস্থির করতে চাইছে না। তাছাড়া আন্তর্জাতিক মহলে নিজেদের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে জামায়াত এখন খুব সাবধানে পা ফেলছে।
তারা পশ্চিমা দেশগুলোকে দেখাতে চায়, জামায়াতে ইসলামী একটি দায়িত্বশীল রাজনৈতিক শক্তি, যারা বিশৃঙ্খলায় বিশ্বাস করে না।
জামায়াতে ইসলামীর এই 'ধীরে চলো' এবং সংস্কারমুখী কৌশলের ফলে দলটির ভেতরে ও বাইরে ইতিবাচক এবং নেতিবাচক—উভয় ধরনের প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
জানতে চাইলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব যোবায়ের দৈনিক এদিনকে বলেন, ‘জুলাই সনদের বিষয়ে ছাড় দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। আমরা পরপর তিন সপ্তাহের কর্মসূচি দিয়েছি।’ তিনি বলেন, ‘ঈদের পর ঢাকায় বড় আকারের সমাবেশ করার বিষয়েও চিন্তাভাবনা আছে। তবে তার আগে বিভিন্ন পর্যায়ে সেমিনার, সিম্পোজিয়াম, লিফলেট বিতরণের কর্মসূচি চলমান থাকবে। আমরা আশা করব, বড় ধরনের কর্মসূচি আসার আগেই সরকার গণভোটের রায় মেনে নেবে। সংসদেই আমরা এর সমাধান আশা করছি। তা যদি সরকার না মানে, তাহলে আমরা তো রাজপথে নেমেই আছি।’
এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, জুলাই সনদ, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং ক্যাম্পাসে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড রোধে দেশবাসী সোচ্চার হচ্ছে। সরকারকে বাধ্য করা হবে জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করতে। ১১ দলীয় জোটসহ রাজনৈতিক দলগুলো মাঠে রয়েছে। এবার আন্দোলনের ঝাঁজ বাড়াতে বৃহত্তর কর্মসূচি নেওয়া হবে। গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ফিরে আসা গণতন্ত্র রক্ষায় আবার মানুষ জীবন পর্যন্ত দেবে।
আসিফ মাহমুদ আরো বলেন, স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলছেন, ‘একটি রাজনৈতিক দলকে নির্মূল করে দেওয়া হবে। আবারও আওয়ামী লীগের ভাষায় তাদের মুখ থেকে এমন বক্তব্য শুনতে পাচ্ছি। তবে আমরা সাফ বলছি, যে কোনো পরিস্থিতিতে আমরা মাঠে আছি, থাকব।’
তিনি বলেন, ‘আমরা আন্দোলনের মধ্যেই আছি। ইতোমধ্যে সারাদেশেই আন্দোলনের কর্মসূচি হচ্ছে। চলমান সভা-সেমিনার সর্বোচ্চ পর্যায়ে নেওয়া হবে। সরকারি দলের হুমকি-ধমকিতে আমরা আগেও ভয় পাইনি, এখনো পাচ্ছি না।’
১১ দলীয় ঐক্যের শরিক বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান এদিনকে বলেন, “সরকার যাদের রক্তের ওপর দিয়ে ক্ষমতায় এসেছে তাদের কথাই এখন ভুলে গেছে। আমাদের আন্দোলন জনগণের জন্য। বিএনপি ‘হ্যাঁ’ ভোটের ম্যান্ডেট মেনে নিলে আমাদের রাজপথে আসার প্রয়োজন হতো না।”
তিনি বলেন, ‘বিএনপিও আওয়ামী লীগের দ্বারা নির্যাতিত দল। অথচ ক্ষমতায় এসে তারা তা ভুলে গিয়ে পতিত ফ্যাসিস্ট হাসিনার পথে হাঁটছে।’
সুশাসনের জন্য নাগরিক-সুজন সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার এ প্রসঙ্গে এদিনকে বলেন, ‘মৌলিক বিষয়গুলোয় আমাদের ঐক্যের দরকার ছিল। কিন্তু আমাদের সরকারি ও বিরোধী দল কিছুটা মুখোমুখি অবস্থানে দেখা যাচ্ছে। তবে এখন কিছুটা জটিলতার মধ্যে থাকলেও পরিস্থিতি কী হয় বলা যায় না। কারণ, আওয়ামী লীগ ফিরে এলে কী হবে, সেই ভীতি সবারই আছে।’


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









