সবজি বাজারে স্থিতিশীলতা থাকলেও মাছ ও মুরগির দামে ঊর্ধ্বমুখী চাপ দেখা দিয়েছে। তবে গরুর মাংসের দাম আগের মতোই স্থিতিশীল রয়েছে।
শনিবার (৪ জুলাই) রাজধানীর রামপুরা, গুলশান, বাড্ডাসহ বিভিন্ন কাঁচাবাজারে দেখা যায়, অধিকাংশ মৌসুমি সবজির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। কাঁকরোল, ধুন্দল, চিচিঙ্গা, পটল, ঝিঙে ও পেঁপে বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৪০ থেকে ৬০ টাকায়। তবে বেগুনের দাম কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে ১০০ টাকায় দাঁড়িয়েছে। কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা কেজিতে।
মাছের বাজারে সবচেয়ে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে ইলিশ। এক কেজি ওজনের ইলিশের দাম ২,৫০০ থেকে ২,৬০০ টাকা। ৬০০ থেকে ৭০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১,৬০০ থেকে ১,৭০০ টাকায়। এ ছাড়া রুই ও কাতল মাছ প্রতি কেজি ৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা আগের তুলনায় ৪০ থেকে ৫০ টাকা বেশি। তেলাপিয়া বিক্রি হচ্ছে ২৭০ টাকা কেজি দরে, আগের তুলনায় প্রায় ৩০ টাকা বেশি। সিলভার কার্পসহ অন্যান্য দেশীয় মাছের দামও কিছুটা বেড়েছে।
বিক্রেতারা জানান, আড়তে সরবরাহ কম থাকায় মাছের দামে এই ঊর্ধ্বগতি দেখা দিয়েছে। রামপুরা বাজারের মাছ ব্যবসায়ী সুপন বর্মণ বলেন, ইলিশের দাম স্থিতিশীল থাকলেও রুই, কাতল ও তেলাপিয়ার দাম সরবরাহ সংকটের কারণে বেড়েছে।
মুরগির বাজারেও দাম বাড়ার প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। বর্তমানে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ১৯০ টাকা কেজিতে, যা আগের তুলনায় ১০ থেকে ১৫ টাকা বেশি। সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩৪০ থেকে ৩৫০ টাকা কেজিতে, যা কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা বেশি। ডিম বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা ডজন দরে।
জোয়ার সাহারা বাজারের এক বিক্রেতা জানান, মাসের শুরুতে সরবরাহ কিছুটা কমে গেলে সাধারণত দাম বেড়ে যায়, তবে বিক্রি তুলনামূলকভাবে স্বাভাবিক থাকে।
ক্রেতারা জানান, সবজির বাজার সহনীয় থাকলেও মাছ ও মুরগির দাম বাড়ায় সংসারের খরচ বেড়েছে। আয় না বাড়ায় দৈনন্দিন ব্যয় সামলাতে কষ্ট হচ্ছে বলে তারা জানান।
ব্যবসায়ীদের আশা, সরবরাহ স্বাভাবিক হলে আগামী সপ্তাহে বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরতে পারে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









