রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬, ১৬ ফাল্গুন ১৪৩২

The Daily Adin Logo
The Daily Adin Logo

রোজার শুরুতেই বাজারে আগুন

প্রকাশিত: ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:৩২ পিএম

আপডেট: ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:৩২ পিএম

রোজার শুরুতেই বাজারে আগুন

সরবরাহে ঘাটতি না থাকলেও রমজানের শুরুতেই দেশজুড়ে চড়া নিত্যপণ্যের বাজার। রোজার প্রথম দিনেই বেগুন ও শসার দাম হাঁকিয়েছে সেঞ্চুরি, লেবুর হালি ঠেকেছে ১২০ টাকায়। অন্য সবজিসহ ইফতারির অনুষঙ্গ ফল ও খেঁজুরের বাজারেও নাভিশ্বাস অবস্থা ক্রেতার। মাছ ও মুরগি-ডিমের বাজার উচ্চমূল্যে স্থিতিশীল থাকলেও কিছুটা স্বস্তি ছড়াচ্ছে ডাল ও ছোলার দাম।

রাজধানী ঢাকা ও ময়মনসিংহের বাজারে ইফতারের প্রধান অনুষঙ্গ খেঁজুর, প্রোটিনের উৎস ব্রয়লার মুরগি-মাছ এবং বেগুনসহ কয়েকটি সবজির দাম বেড়েছে দফায় দফায়। পাবনায় প্রতি কেজি লেবু ২০০ টাকা দরে বিক্রি হওয়ায় রীতিমতো ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ।

ঢাকা: মিরপুর, কারওয়ানবাজার ও বাদামতলী বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সপ্তাহের ব্যবধানে বেগুনের দর হয়েছে দ্বিগুণ। লম্বা বেগুনের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৩০ থেকে ১৫০ টাকায়, যা গত সপ্তাহে ছিল ৮০ থেকে ৯০ টাকা। তবে কিছুটা নিম্নমানের বেগুন কেনা যাচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকা দরে। লেবুর দাম এখনও আকাশচুম্বী। মাঝারি আকারের প্রতি হালি লেবু কিনতে খরচ হবে ১০০ থেকে ১১০ টাকা।

নিম্ন ও মধ্যবিত্তদের ভরসা ব্রয়লার মুরগির দামও ৪৮ ঘণ্টায় কেজিতে বেড়েছে ২০ থেকে ৩০ টাকা। তিনদিন আগে ১৯০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হওয়া ব্রয়লার মুরগি গতকাল বৃহস্পতিবার ২০০ থেকে ২২০ টাকা হেঁকেছেন খুচরা বিক্রেতারা। সোনালি মুরগির দাম বেড়ে ৩৩০ থেকে ৩৫০ টাকায় দাঁড়িয়েছে। অথচ দুই সপ্তাহ আগে ব্রয়লারের কেজি ছিল ১৬০ থেকে ১৭০ টাকা আর সোনালি জাতের মুরগির কেজি কেনা গেছে ২৭০ থেকে ২৯০ টাকায়।

গত সপ্তাহের তুলনায় ছোলার দামও কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা বেড়েছে, কেজিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ১০০ টাকায়। ইফতারিতে প্রতিদিনের ইফতারের অনুষঙ্গ খেঁজুরের বাজারও বেশ চড়া। আমদানিকারক, পাইকারি ও খুচরা–  তিন পর্যায়েই আমদানি মূল্যের তুলনায় কয়েকগুণ দামে ভোক্তাকে খেজুর কিনতে হচ্ছে। খুচরা ব্যবসায়ীরা বাদামতলী ফলের আড়ত থেকে আনেন এসব খেঁজুর। অথচ, বাদামতলীতে পাইকারিতে মেডজুল খেঁজুরের কেজি দেড় হাজার এবং বিভিন্ন খুচরা বাজারে তা এক হাজার ৬০০ থেকে এক হাজার ৮০০ টাকা ছাড়িয়েছে। একইভাবে আজওয়া পাইকারিতে ৭০০ টাকা হলেও খুচরায় বিক্রি হচ্ছে কম-বেশি ৯৫০ টাকায়, মরিয়ম পাইকারিতে কম-বেশি ৯০০ টাকায় বিক্রি হলেও খুচরায় কিনতে খরচ হবে এক হাজার ১০০ থেকে এক হাজার ৩০০ টাকা। 

ক্রেতাদের ক্ষোভ, সাধারণ খেঁজুরের আমদানি খরচ কম হলেও বাজারে তা তুলনামূলক চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। কারওয়ানবাজারে খেঁজুর কিনতে আসা সৌদি প্রবাসী সালেহ আহমেদের মতে, ‘দাম বাড়তি মনে হলো।’ 

কারওয়ানবাজারের খেঁজুর ব্যবসায়ী আলি ইব্রাহীমের দাবি, নির্বাচনের পরদিন থেকে হঠাৎ করে বাদামতলী আড়তে পাইকারি ব্যবসায়ীরা ভালো মানের খেজুরের কেজিতে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা বাড়িয়ে দিয়েছেন। রোজা সামনে রেখে আড়ত থেকেই তাঁদের বেশি দামে কিনতে হলেও সামান্য লাভেই বিক্রি করছেন বলেও জানান তিনি। 

মাসখানেক আগেই বাজারে তরমুজ উঠতে শুরু করলেও এখনও কেজিতে বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৯০ টাকায়। তরমুজ বিক্রেতা আনোয়ার হোসেন জানান, কয়েক দিনের বরিশালের তরমুজ আসতে শুরু করলে দাম কমে যাবে। কারওয়ানবাজারের খুচরা বিক্রেতা মিল্লাত হোসেন বলেন, ‘আড়তে ব্যাপক দাম বাইড়া গ্যাছে। যেইটা আমরা ১৮০ ট্যাকা কেনতে পারছি, সেইটা এখন ২৪০ ট্যাকা। তাইলে আমরা কোন দামে বেচমু! কাস্টমার (ক্রেতা) চায় কম দামে ভালোটা। অল্প লাভেই ছাইড়া দিতেছি।’

মিরপুর–১০ নম্বর গোল চত্বরের ফলপট্টি মসজিদগলির ফল-খেঁজুর ব্যবসায়ী নায়েল আফরিদির ভাষ্য, ‘রমজানে যে নতুন মালটা ছাড়ছে, ওইটার দামটা একটু বেশি। আর পুরান যে মালগুলো আছে, ওগুলা একটু কম দামেই ছাইড়া দিতাছে।…আমি বারো মাসই ব্যবসা করি। এখন বিক্রিটা বেশি। কারণ, রমজান আসছে। এ সময় বিক্রিটা বাড়ে।’

ময়মনসিংহ: শহরের ঐতিহ্যবাহী মেছুয়া বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বেশিরভাগ সবজির দাম কেজিতে ১০ থেকে ৪০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। বেড়েছে মুরগির দামও। বিপাকে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যম আয়ের ক্রেতারা।

ক্রেতা-বিক্রেতারা জানান, কেজিতে বেগুনের দাম বেড়েছে ৪০ টাকা। গত সপ্তাহে ৪০ টাকা কেজিতে বিক্রি হলেও এখন ৮০ টাকায় ঠেকেছে। শসা ৫০ টাকা থেকে বেড়ে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সবচেয়ে বেড়েছে কাঁচামরিচের দাম। গত সপ্তাহ ১০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হলেও এখন দাঁড়িয়েছে ১৪০ টাকায়। লেবুর দাম হালিতে বেড়েছে ৩০ টাকা। বর্তমানে ভালো জাতের লেবু ৮০ টাকা হালিতে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া শিম ৩০ টাকা থেকে বেড়ে ৪০ টাকা, টমেটো ৩০ টাকা থেকে বেড়ে ৪০ টাকা, গাজর ৪০ টাকা থেকে বেড়ে ৫০ টাকা ও ক্যাপসিকাম ৩৬০ টাকা থেকে বেড়ে ৪০০ টাকা, চালকুমড়া ৪০ টাকা থেকে বেড়ে ৬০ টাকা পিস হিসেবে বিক্রি হচ্ছে। বরবটি ৬০ টাকা কেজি, কাঁচা পেঁপে ৩০ টাকা কেজি, ফুলকপি ৪০ টাকা পিস, কাঁচকলা ৩০ টাকা হালি ও ধনেপাতা ২০ টাকা আটিঁতে বিক্রি হচ্ছে। সজনের দাম কেজিতে ৩০ টাকা বেড়ে ২৫০ টাকায় ঠেকায় ক্রেতাদের নাগালের বাইরে।

ব্রয়লার, সাদা কক ও সোনালী কক মুরগিরি দাম কেজিতে বেড়েছে ১০ টাকা। বর্তমানে ব্রয়লার ১৮০ টাকা, সাদা কক ২৮০ টাকা ও সোনালী কক ৩০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। হাঁসের ডিম ৬০ টাকা হালি ও ফার্মের মুরগির ডিম ৩৫ টাকা হালিতে বিক্রি হচ্ছে।

মাছের মধ্যে সিলভার কার্প ২১০-২৮০ টাকা, শোল ৬০০-৫৪০ টাকা, তেলাপিয়া ২০০-২৮০ টাকা, মৃগেল ২৮০-৩৫০ টাকা, পাঙাশ ১৭০-২০০ টাকা, পাবদা ৪৩০-৫৫০ টাকা, ট্যাংরা ৫১০-৭৮০ টাকা, রুই ৩২০-৪২০ টাকা, কালবাউশ ৩০০-৩৭০ টাকা, কাতলা ৩৪০-৪৪০ টাকা, শিং ৩৫০-৬৫০ টাকা, টাকি ৪১০-৫৪০ টাকা ও কৈ ২৫০-৩৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

ক্রেতারা বলছেন, বাজার মনিটরিং দুর্বল থাকায় অসাধু বিক্রেতারা রমজান ঘিরে ইচ্ছেমতো দামে বিক্রি করে তাদের পকেট ভারি করছেন। ক্রেতা আজিজ মিয়া বলেন, বাজারে সবজির প্রচুর সরবরাহ থাকলেও উচ্চদামে সবচেয়ে বিপাকে পড়েছেন তাঁর মতো এতে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষ। ব্রয়লার মুরগির ক্রেতা জাহিদ হোসেন বলেন, ‘তিন কেজি মুরগি কিনেছি। আগের সপ্তাহের চেয়ে মোট ৩০ টাকা বাড়তি দিতে হলো। বিক্রেতা আমাকে জানিয়েছেন, পাইকারিভাবে মুরগির দাম কিছুটা বেড়ে গেছে।’

সবজি বিক্রেতা আব্দুল মান্নানের দাবি, বাজারে চাহিদার তুলনায় সবজির সরবরাহ কম। এছাড়া দাম বাড়লেও বিক্রি কমেনি। মুরগি বিক্রেতা নজরুল ইসলাম বলেন, ‘পাইকারিভাবে মুরগির দাম কিছুটা বেড়েছে। ফলে ক্রেতাদের কাছে আমরাও দাম বাড়িয়ে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছি। পাইকারিভাবে দাম কমলে আমরাও কমিয়ে বিক্রি করব।’ বাজারে সিন্ডিকেট করে মুরগি বিক্রি হচ্ছে না বলেও দাবি তার।

বৃহস্পতিবার বিকেলে মেছুয়া বাজার মনিটরিং করেন জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান ও পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান। জেলার অন্য বাজারগুলোও নজরদারিতে রাখছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা। যেকোনো সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত চালিয়ে অসাধু ব্যবসায়ীদের জরিমানার আওতায় আনার আশ্বাসও তাঁদের।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ময়মনসিংহের সহকারী পরিচালক মো. আব্দুস ছালাম বলেন, রমজান ঘিরে অনেক অসাধু বিক্রেতা ইচ্ছামতো দামে বিক্রি করতে চেষ্টা করেন। এজন্য বাজারগুলোতে অভিযান চালানো হবে। যৌক্তিক কারণ ছাড়া কোনো বিক্রেতা দাম বাড়িয়ে তাদের পকেট ভারির চেষ্টা চালালে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পাবনা: জেলার নয়টি উপজেলার সর্বত্র অস্থির নিত্যপণ্যের বাজার। রমজান শুরুর আগেই ইফতারের অন্যতম প্রধান অনুষঙ্গ লেবুর দাম সাধারণ ক্রেতাদের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। বাজারে প্রতি কেজি লেবু ২০০ টাকা দরে বিক্রি হওয়ায় সাধারণ মানুষের মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

সরেজমিনে বেড়া পৌর বাজার, নাকালিয়া ও সিঅ্যান্ডবি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, লেবুর দাম অস্বাভাবিক। খুচরা বাজারে মানভেদে এক হালি লেবু ৪০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর কেজি দরে কিনতে গেলে ক্রেতাদের গুণতে হচ্ছে ২০০ টাকা পর্যন্ত। ক্রেতাদের অভিযোগ, রোজা শুরুর আগেই এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট করে রাতারাতি দাম কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছেন। নজরুল ইসলামের আক্ষেপ, ‘সারাদিন রোজা রাখার পর ইফতারে একটু লেবুর শরবত খাব, তারও উপায় নেই। এক কেজি লেবুর দাম যদি ২০০ টাকা হয়, তবে আমাদের মতো সাধারণ মানুষ কী খাবে? বাজারে কোনো তদারকি নেই, ব্যবসায়ীরা যে যার মতো দাম হাঁকাচ্ছেন’।

আরেক ক্রেতা জানান, রোজা ঘিরে শসা, বেগুন ও কাঁচামরিচের দামও পাল্লা দিয়ে বাড়ছে। প্রশাসনের সঠিক নজরদারি না থাকলে সাধারণ মানুষের জন্য রোজা রাখা এবং পরিবার চালানো কষ্টকর হয়ে পড়বে।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও প্রশাসনের কঠোর বাজার মনিটরিং এবং নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তাঁদের মতে, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য আরও বাড়বে এবং সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছাবে।

জেলা কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সাধারণ সম্পাদক এস এম মাহবুব আলম বলেন,  জেলা প্রশাসন এবং ভোক্তা অধিকারের উচিত, বাজার অভিযান চালিয়ে লেবুসহ অন্য নিত্যপণ্যের দাম দ্রুত কমিয়ে আনা। 

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মাহমুদ হাসান রনি বলেন, পণ্যের দামের নিবিড় তদারকি, বিশেষত লেবুর বিষয়ে বাজারে অভিযান চালানো হচ্ছে।

দাম নিয়ন্ত্রণসহ ১৫ দাবি
ভোক্তা ও সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, নতুন সরকারের প্রথম দিনই বাজার নিয়ন্ত্রণে কঠোর হুঁশিয়ারি থাকলেও ব্যবসায়ীরা তার তোয়াক্কা করছেন না। শুল্কছাড়ের সুবিধা নিয়ে খেঁজুর আমদানি করে চড়া দামে বিক্রি করছেন তাঁরা। আবার বড় করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো রমজান ঘিরে কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে মুরগির বাজারে। অতি দ্রুত তদারকির ব্যবস্থা জোরদার না করলে জিনিসপত্রের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাবে। 

এ বক্তব্য নিয়ে রমজানে খাদ্যদ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ, ভেজালমুক্ত ও নিরাপদ খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিতসহ ১৫ দফা দাবি তুলে ধরেছে বিভিন্ন পরিবেশবাদী ও ভোক্তা অধিকার সংগঠনগুলোও। জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে বৃহস্পতিবারের সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানায় বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা), কনজুমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব), বিসেফ ফাউন্ডেশন ও শিসউক। 

বাপার সভাপতি অধ্যাপক নুর মোহাম্মদ তালুকদারের সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন ক্যাবের প্রেসিডেন্ট এএইচএম সফিকুজ্জামান, শিসউকের নির্বাহী পরিচালক শাকিউল মিল্লাত মোর্শেদ, বিসেফ ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম প্রমুখ। মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন বিকশিত বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক আতাউর রহমান মিটন। তাঁরা বলেন, নতুন সরকারের জন্য এ রমজান হবে ‘এসিড টেস্ট’। বাজার সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ, নিয়মিত বাজার মনিটরিং এবং ভেজালকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে না পারলে সাধারণ মানুষ স্বস্তি পাবে না।

Advertisement
এদিনের সব

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো. সাইদুল ইসলাম সাজু
নির্বাহী সম্পাদক: খন্দকার মোজাম্মেল হক

শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস ২৮/বি, টয়েনলি সার্কুলার রোড, মতিঝিল-১০০০, ঢাকা থেকে মুদ্রিত

যোগাযোগ করুন

টাওয়ার-এ (২য় তলা), হাউস-১৩, রোড-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩।

০২-২২৬৬০৩৩৫২

০১৮৯৭-৬৬৪৬৫৬

ইমেইল : dailyadinbd@gmail.com

আমাদের সোশ্যাল মিডিয়া

facebookyoutubetiktok

© স্বত্ব ২০২৬, দৈনিক এদিন

Design & Developed byBongosoft Ltd.

রোজার শুরুতেই বাজারে আগুন | The Daily Adin