পিরোজপুর জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমূখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) গভীররাতে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হয়। এর আগে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত একটানা ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।
নির্বাচনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদসহ ৭টি পদে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীরা জয়লাভ করেছে। নির্বাচনে ১৩টি পদের মধ্যে বিএনপি সমর্থিত জাতায়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম প্যানেলে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদসহ ৬টি পদে জয়ী হয়েছে।
নির্বাচনে সভাপতি পদে অ্যাডভোকেট এম. শাহ আলম ও সাধারণ সম্পাদক পদে অ্যাডভোকেট এ.কে.এম. আউয়াল নির্বাচিত হয়েছেন। এরা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জয়লাভ করলেও আইনজীবীদের মাঝে তারা দু’জনই নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী সমর্থক হিসেবে পরিচিত।
বিএনপি সমর্থিত জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের নির্বাচিতরা হলেন, যুগ্ম সাধারণ পদে সম্পাদক আকরাম আলী মোল্লা (বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়), অর্থ সম্পাদক ওয়াহিদ হাসান বাবু, ক্রীড়া সম্পাদক মো. মনিরুজ্জামান এবং সদস্য নাসিমা আক্তার, রিয়াজুল ইসলাম ও আমিনুল ইসলাম।
আওয়ামী লীগ সমর্থিত নির্বাচিত অন্যরা হলেন, সহ-সভাপতি আনোয়ার হোসেন তালুকদার, পরিসম্পদ সম্পাদক জহুরুল ইসলাম, সাংস্কৃতিক সম্পাদক সুশেন কুমার হালদার, হিসাব নিরীক্ষক রফিকুল ইসলাম শিমুল ও সদস্য সরজীত কুমার অধিকারী।
জেলা আইনজীবী সমিতির মোট ২২৬ জন ভোটারের মধ্যে ২১২ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।
নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন অ্যাডভোকেট রেজাউল করিম শামীম।
জানা গেছে, পিরোজপুর জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের একাধিক প্রার্থী থাকায় দলটি পদ দুটি হারিয়েছে।
এ বিষয়ে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম এর পিরোজপুর জেলা আহবায়ক অ্যাডভোকেট নিজাম উদ্দিন সরদার জানান, ফোরামের তিন সদস্য অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম সরদার, অ্যাডভোকেট রহিমা আক্তার হাসি ও অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম হাওলাদার দলীয় সিদ্ধান্ত ও শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় দলটি সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের পদ দুটি হারিয়েছে। তিনি জানান, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করায় ইতিমধ্যে ওই তিনজনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









