শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩

The Daily Adin Logo
The Daily Adin Logo

মুরগির দামে নিম্নআয়ের মানুষের কপালে ভাঁজ

প্রকাশিত: ১৩ মার্চ ২০২৬, ১২:৪৬ পিএম

আপডেট: ১৩ মার্চ ২০২৬, ১২:৪৬ পিএম

মুরগির দামে নিম্নআয়ের মানুষের কপালে ভাঁজ

নিম্নআয়ের পরিবারে একটু ভালো খাবার মানেই ব্রয়লার মুরগি। সেই সঙ্গে এটি প্রোটিনের অন্যতম উৎস। সরবরাহ সংকটের অজুহাত তুলে রাজধানীর বাজারগুলোতে দাম বাড়িয়েছেন ব্যবসায়ীরা। উচ্চ মূল্যস্ফীতির এই সময়ে এতে আরও বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন হাজারো মানুষ।

যদিও প্রতিবছর ঈদুল ফিতর ঘিরে বাজারে মুরগির চাহিদা বাড়ে। চাহিদার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ে দাম। এ বছরও ঈদ সামনে রেখে চড়া মুরগির বাজার। গত এক সপ্তাহ ধরে বাজারে মুরগির দাম বাড়ছে। এ সময়ের ব্যবধানে প্রতি কেজি মুরগির দাম প্রায় ৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। সঙ্গে বেশ কয়েক মাস নিম্নমুখী থাকা ডিমের দামও কিছুটা বেড়েছে।

তবে ঈদের আগে অন্যান্য অধিকাংশ পণ্যই স্থিতিশীলই রয়েছে। আর চাহিদা কমায় রমজানের পণ্যসহ বেশকিছু সবজির দাম কমেছে। শুক্রবার (১৩ মার্চ) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

বাজারে ব্রয়লার, সোনালি, লেয়ার ও দেশি সব ধরনের মুরগির দামই বেড়েছে। বিক্রেতারা বলছেন, ঈদে মুরগির চাহিদা বাড়ে। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় দাম বাড়ছে।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ২২০-২৩০ টাকা, সোনালি মুরগি ও লেয়ার মুরগি ৩৩০-৩৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ব্যবসায়ীরা জানান, গত এক সপ্তাহে এসব মুরগি কেজিতে ৫০ টাকা বেড়েছে। যেখানে গত সপ্তাহেও ব্রয়লার মুরগির কেজি ১৭০-১৮০ টাকা, সোনালি ২৮০-৩০০ টাকায় আর লেয়ার মুরগির ২৭০-২৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতো।

অন্যদিকে, বাজারে এখন প্রতি কেজি দেশি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৬৫০-৭০০ টাকায়, যা সপ্তাহখানেক আগেও ছিল ৬০০ থেকে ৬২০ টাকা।

রাজধানীর মিরপুরের মুরগি বিক্রেতা মো. আরিফ হোসেন বলেন, রমজানের ঈদে অধিকাংশ মানুষ মুরগি খায়। বড়লোকেরাও খায়, গরিবরা আরও বেশি খায়। রেস্টুরেন্টেও চাহিদা বাড়ে। যে কারণে এরই মধ্যেও কিছুটা চাহিদা বাড়তে শুরু করেছে।

‘কিন্তু চাহিদা বাড়লেও সেভাবে সাপ্লাই নেই। প্রত্যন্ত এলাকা থেকে সেভাবে মুরগি সরবরাহ হচ্ছে না। আর পাইকারি বাজারে প্রতিদিন ৫-১০ টাকা করে দাম বাড়ছে’—বলেন তিনি।

অন্যদিকে, বাজারে অনেকদিন ধরে ফার্মের মুরগির ডিমের দাম নিম্নমুখী ছিল। এখন সেই দামও কিছুটা বেড়েছে। এক ডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে ১১০–১২০ টাকায়। প্রতি ডজনে দাম বেড়েছে ১০ টাকা।

রমজান শেষ হয়ে আসায় বাজারে ছোলা ও ডালের দাম কেজিপ্রতি প্রায় ১০ টাকা কমে বিক্রি হতে দেখা গেছে। চিনির দামও আগের মতো ১০০ থেকে ১১০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া বাজারে কিছুদিন ভোজ্যতেলের সংকট থাকলেও এখন সরবরাহ আগের চেয়ে বেড়েছে। যদিও তাতে সংকট পুরোপুরি কাটেনি। ক্রেতারা এক দোকানে না পেলেও অন্য দোকান ঘুরে তেল পাচ্ছেন। প্রতি লিটার বোতলজাত তেল বিক্রি হচ্ছে ১৯৫ টাকা দরে।

এছাড়া বাজারে বেশকিছু সবজির দাম কম দেখা গেছে। বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা দরে, যা গত সপ্তাহের চেয়ে কেজিপ্রতি ২০ টাকা কম। মূলত, ৬০ টাকার মধ্যেই করলা ছাড়া অন্যান্য প্রায় অধিকাংশ সবজি কেনা যাচ্ছে।

বাজারে এখন প্রতি কেজি আলু ১৫ থেকে ২০ টাকা ও পেঁয়াজ ৩০ থেকে ৪০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

শান্তিনগর বাজারের সবজি বিক্রেতা মহিবুল বলেন, এখন অনেক মানুষ ঢাকা ছাড়ছে। ফলে বাজারে ক্রেতা কম। সরবরাহের তুলনায় চাহিদা কম থাকায় দাম কমছে।

Advertisement
এদিনের সব

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো. সাইদুল ইসলাম সাজু
নির্বাহী সম্পাদক: খন্দকার মোজাম্মেল হক

শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস ২৮/বি, টয়েনলি সার্কুলার রোড, মতিঝিল-১০০০, ঢাকা থেকে মুদ্রিত

যোগাযোগ করুন

টাওয়ার-এ (২য় তলা), হাউস-১৩, রোড-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩।

০২-২২৬৬০৩৩৫২

০১৮৯৭-৬৬৪৬৫৬

ইমেইল : dailyadinbd@gmail.com

আমাদের সোশ্যাল মিডিয়া

facebookyoutubetiktok

© স্বত্ব ২০২৬, দৈনিক এদিন

Design & Developed byBongosoft Ltd.