বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার মজুত বা রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৩.১৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে।
তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ব্যালেন্স অব পেমেন্টস অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল ইনভেস্টমেন্ট পজিশন ম্যানুয়াল (বিপিএম৬) অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের রিজার্ভের পরিমাণ ২৮.৫১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
আজ শুক্রবার (০২ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী এ তথ্য জানা গেছে।
এর আগে গত ১৭ ডিসেম্বর দেশের বৈদেশিক মুদ্রার মজুদ বা রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩২.৪৮ বিলিয়ন ডলার আর আইএমএফের নির্ধারিত বিপিএম-৬ পদ্ধতি মতে রিজার্ভ ছিল ২৭.৮২ বিলিয়ন ডলার।
গত বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) মুদ্রার রিজার্ভ ছিল ৩২.১২ বিলিয়ন ডলার। আর আইএমএফের নির্ধারিত বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে হিসাব মতে রিজার্ভ ছিল ২৭.৪৫ ডলার। তার আগের দিন বুধবার (১০ ডিসেম্বর) দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল ৩১.৮৯ বিলিয়ন ডলার।
আর বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে হিসাব করলে রিজার্ভ ছিল ২৭.২২ বিলিয়ন ডলার।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, দেশের রিজার্ভ এখন প্রায় ৩৩.১৯ বিলিয়ন ডলার। আর বিপিএম-৬ হিসাব পদ্ধতি মতে বর্তমানে রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৮.৫২ বিলিয়ন ডলারে। এর আগে ৯ নভেম্বর আকুর বিল পরিশোধের পর গ্রস রিজার্ভ ছিল ৩১.১৪ বিলিয়ন ডলার এবং বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভ ছিল ২৬.৪৪ বিলিয়ন ডলার।
আরো আগে, ৬ নভেম্বর রিজার্ভ ছিল ৩২.৭১ বিলিয়ন ডলার এবং বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে তা ছিল ২৮ বিলিয়ন ডলার।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালের জুলাইয়ে মে-জুন মেয়াদের আমদানি ব্যয়ের বিপরীতে বাংলাদেশ আকুকে ১.৯৬ বিলিয়ন ডলার পরিশোধ করেছিল, যা ছিল সর্বশেষ বড় অঙ্কের বিল। এরপর ২০২৩ সালে পুরো সময় দ্বিমাসিক আকুর বিল কমে ১.৩ বিলিয়ন ডলারের নিচে ছিল। তবে ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর-অক্টোবর থেকে আকুর বিল আবার বাড়তে শুরু করে। চলতি বছরের মে-জুনে বিলের পরিমাণ পৌঁছায় প্রায় দুই বিলিয়ন ডলারে, যা গত তিন বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।
১৯৭৪ সালের ৯ ডিসেম্বর জাতিসংঘের এশিয়া অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন (ইউএনইএসক্যাপ) আকু প্রতিষ্ঠা করে। ইরানের তেহরানভিত্তিক এই সংস্থার মাধ্যমে ভারত, বাংলাদেশ, ভুটান, ইরান, মালদ্বীপ, মায়ানমার, নেপাল, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা—মোট ৯টি দেশের আঞ্চলিক লেনদেন নিষ্পত্তি করা হয়।

সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন







