বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণার সঙ্গে শিল্পখাতের (ইন্ডাস্ট্রি) সমন্বয় হলে বাংলাদেশের গবেষণা ক্ষেত্রে ব্যাপক পরিবর্তন আসবে বলে মন্তব্য করেছেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমান।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর নভোথিয়েটারে আয়োজিত ‘বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬’-এ বেরোবির উদ্ভাবনী গবেষণা প্রকল্প প্রদর্শনকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী এ মেলা ১২ থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হচ্ছে। মেলায় বেরোবির বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থী ও গবেষকদের নির্বাচিত চারটি উদ্ভাবনী গবেষণা প্রকল্প প্রদর্শন করা হচ্ছে। প্রকল্পগুলো হলো— ‘সিলিকন-বেইসড পেরোভিসকিট সোলার সেল, এগ্রিট্রেক বিডি, কার্বন সেতু এবং দেশগার্ড এআই।
অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমান বলেন, “বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণার সঙ্গে ইন্ডাস্ট্রির কোনো সমন্বয় নেই। বর্তমান সরকার এ বিষয়টি সমন্বয়ের চেষ্টা করছে। বিশ্ববিদ্যালয় ও ইন্ডাস্ট্রির মধ্যে সমন্বয় হলে বাংলাদেশে গবেষণার ক্ষেত্রে বিশাল পরিবর্তন আসবে।”
তিনি আরও বলেন, “এই সমন্বয়হীনতার কারণে বাংলাদেশের সমসাময়িক অনেক দেশ আমাদের থেকে এগিয়ে গেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাকে শিল্পখাতের সঙ্গে যুক্ত করা গেলে গবেষণার ফলাফল বাস্তব ক্ষেত্রে প্রয়োগের সুযোগ তৈরি হবে।”
মেলায় অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে বেরোবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী বলেন, “আমাদের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মেধা ও উদ্ভাবনী শক্তিকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরতে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় সবসময় বদ্ধপরিকর। ল্যাবরেটরির নতুন নতুন আবিষ্কার যখন বাণিজ্যিক বাজারে জায়গা পাবে, তখনই দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত সমৃদ্ধি ত্বরান্বিত হবে।”
তিনি আরও বলেন, “এই ইনোভেশন ফেয়ার আমাদের তরুণ গবেষকদের জন্য নতুন সম্ভাবনা ও নেটওয়ার্ক তৈরির অনন্য সুযোগ।”
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মিজানুর রহমান, দুর্যোগ বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. এমদাদুল হক এবং পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. কামরুজ্জামান।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









