ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার বাওয়া স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসায় অবৈধভাবে শিক্ষক নিয়োগ ও নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো. রমজান আলী।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে বাওয়া স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসাটি পরিচালিত হয়ে আসছে। প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকে মাদ্রাসায় ১ জন প্রধান শিক্ষক ও ৩ জন সহকারী শিক্ষকসহ মোট ৪ জন শিক্ষক কর্মরত রয়েছেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, বর্তমান প্রধান শিক্ষক মো. শহিদুল্লাহ নিয়ম বহির্ভূতভাবে আইনের তোয়াক্কা না করে স্থানীয়ভাবে ২ জন নারী শিক্ষক নিয়োগ দিয়েছেন।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, নিয়োগপ্রাপ্তদের মধ্যে একজন কামরুন নাহার এবং অপরজন আকলিমা আক্তার। তাদের নিয়োগে মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির কোনো অনুমোদন নেওয়া হয়নি বলে দাবি করা হয়েছে। এছাড়া এমপিওভুক্তির তালিকায় তাদের নাম অন্তর্ভুক্ত ও ইনডেক্স নম্বর নেওয়ার বিষয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে।
অভিযোগকারী ও প্রতিষ্ঠানের সভাপতি মো. রমজান আলী দাবি করেন, তাদের এই প্রতিষ্ঠানে অবৈধ নিয়োগ বাণিজ্যের মাধ্যমে দুইজন নারী শিক্ষককে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এবং বিষয়টি এলাকাবাসী ও মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটিকে অবগত না করেই সম্পন্ন করা হয়েছে। তিনি বিষয়টি তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার এবং অবৈধ নিয়োগ বাতিলের দাবি জানান।
এ ব্যাপারে প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক শহিদুল্লাহ জানান, তার প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে ৬ জন শিক্ষক রয়েছেন। প্রথম পর্যায়ে তাকেসহ ৪ জন ছিলেন, পরবর্তিতে নিয়োগবিধি অনুযায়ী সৃষ্ট পদে কামরুন্নাহার এ আকলিমা আক্তার নামে আরো ২ জন নারী শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোস্তফা কামাল অভিযোগ পাওয়ার বিষয়ে সত্যতা স্বীকার করে জানান, প্রতিষ্ঠান প্রধানকে নিয়োগ সংক্রান্ত সার্বিক কাগজপত্র নিয়ে অফিসে আসার জন্য বলা হয়েছে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









