পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং দেশীয় ফলের ঐতিহ্য নতুন প্রজন্মের মাঝে তুলে ধরার লক্ষ্যে সম্প্রীতি দারিয়াপুর, গাইবান্ধার উদ্যোগে শনিবার সন্ধ্যায় দারিয়াপুরে দিনব্যাপী বৃক্ষরোপণ, বৃক্ষ বিতরণ ও মৌসুমী ফল উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। ফল উৎসবের আগে দারিয়াপুরের বিভিন্ন জায়গায় বৃক্ষরোপণ ও ফলজ গাছের চারা বিতরণ করা হয়। উৎসবের স্লোগান ছিল ‘সবুজ বাঁচাও, এই নাও গাছের চারা: প্রকৃতি রক্ষা করো বৃক্ষরোপন দ্বারা’। পাশাপাশি দেশীয় মৌসুমী ফলের প্রদর্শনী ও আপ্যায়নের মাধ্যমে দেশীয় ফলের পুষ্টিগুণ, গুরুত্ব এবং পরিবেশবান্ধব জীবনযাপনের বার্তা তুলে ধরা হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন গাইবান্ধার উদীয়মান বিশিষ্ট তরুণ সমাজসেবক পরিবেশবিদ প্রকৌশলী শামীম প্রামাণিক বাদল, প্রধান শিক্ষক ওয়াসিউল হাবীব, নাট্যজন আলমগীর কবির বাদল, জুলফিকার চঞ্চল, গাইবান্ধা সুরবানী সংসদের সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম বাবু, সাংস্কৃতিক কর্মী শহিদুল ইসলাম প্রমুখ। উ’সবে প্রকৌশলী, শিক্ষক, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক, নাট্যজন, রাজনীতিক, শিল্পী, বাউল, ছাত্রছাত্রীসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ অংশ নেয়।
এছাড়াও উৎসবে উপস্থিত ছিলেন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ইউনুস আলী দুখু, সাইদুর রহমান, মুজাহিদুল ইসলাম মিদুল, অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট আতিকুর রহমান সাজু, শিক্ষক আব্দুর রউফ, নিতাই সরকার, মোজাম্মেল হক সরকার, সাংস্কৃতিক কর্মী দুলাল সরকার দোলন, জুলহাস উদ্দিন, আবুল কালাম আজাদ, আব্দুর রশিদ মনজু, মমদেল হোসেন, রাসেদ মোস্তফা সোহেল, রিপন আমিন, সাংবাদিক আতোয়ার রহমান, ব্যবসায়ী হেদায়েতুল ইসলাম, রেদোয়ান হক্কানী, শামীম মণ্ডলসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
বক্তারা বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, সবুজায়ন বৃদ্ধি এবং দেশীয় ফলের প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়াতে এ ধরনের আয়োজন ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। দিনব্যাপী এই বৃক্ষরোপণ, বৃক্ষ বিতরণ ও ফল উৎসব স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার সৃষ্টি করে এবং পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
অনুষ্ঠানের পৃষ্ঠপোষক ছিলেন লক্ষণ রায়, হুমায়ুন কবীর, দীপু মোদক, আবু তাহের, জীবন বর্মন, রুবেল সরকার, হামিদুল ইসলাম, শরিফুল ইসলাম ও সুব্রত মোদক। শেষে নৃত্য পরিবেশনে উদয় শংকর নৃত্যায়তনের শিল্পীরা নৃত্য পরিবেশন করে ।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









