নাটোরে আঙ্গুর চাষ করে স্বাবলম্বী আমজাদ হোসেন। শখের বশে আঙ্গুর চাষ করে ভালো ফলন হওয়ায় নাটোরে দিনদিন আঙ্গুরের চাষ বাড়ছে। নাটোরের আমজাদ হোসেন নামে এক চাষী তার জমিতে আঙ্গুর চাষ করে সফলতা পেয়েছেন। তার দেখাদেখি অনেক উদ্যোক্তা আঙ্গুর চাষ করছেন। দেশের মাটিতে সুমিষ্ট আঙ্গুর চাষে সাফল্য পাওয়ায় আশা করা হচ্ছে বিদেশ থেকে আঙ্গুর আমদানী অনেকটা কমবে।
জেলা কৃষি সমপ্রসারণ অধিদপ্তরের মতে জেলায় আঙ্গুরের চাষ দিনে দিনে বাড়ছে। গত বছর আমজাদ হোসেন নামে এক কৃষক পলিথিন সেড নির্মাণ করে সেখানে সে প্রচুর আঙ্গুর উৎপাদন করেছে। সে অনেকগুলো চারাও উৎপাদন করেছিল।সে সব চারা গুলো অনেকে কিনে নিয়ে গিয়ে রোপন করেছে। এ বছর অনেকের ফলনও ভালো হয়েছে। বিশেষ করে বাইকুনুর জাতটির ফলন খুবই ভালো। এছাড়া ডিক্সন, ভ্যালেজ এ জাতগুলো কম বেশি চাষ হচ্ছে। আঙ্গুর চাষী আমজাদ হোসেন গত বছর প্রথমবারের মত শখের বশে বাইকুনুর জাতের আঙ্গুরের চারা সংগ্রহ করে তার বাড়ির আঙ্গিনায় রোপন করেন।
প্রথম বছরে প্রতিটি গাছে ৭/৮ কেজি পরিমাণে ফল আসে। ফলগুলো মিষ্টি হওয়ায় তিনি বাইকুনুর সহ ভ্যালেজ ও ডিক্সন এ তিনটা জাত দিয়ে আরো দুইটি বাগান করে বাণিজ্যিকভাবে আঙ্গুর চাষ শুরু করেছেন। তিনি কিছু চারাও তৈরি করেন। তার দেখাদেখি আরো অনেকে উদ্যোক্তা তার কাছ থেকে চারা ও পরামর্শ নিয়ে আ্ঙ্গুর চাষ করছেন।
দ্বিতীয় বছরে তার প্রতিটি গাছে ১০/১২ কেজি করে আঙ্গুর ধরেছে। তিনি প্রতি কেজি আ্ঙ্গুর ৩৩০ টাকা দরে পাইকারি বিক্রি করেন। অনেকেই তার আঙ্গুর চাষের কথা জানতে পেরে তার বাগান দেখতে আসছেন। যারা বেকার যুবক আছেন তারা যদি এই আঙগুরের চাষ করেন ত্হলে তাদের বেকারত্ব ঘুচার সাথে সাথে দেশে উৎপাদিত আঙ্গুর দিয়ে দেশের চাহিদা অনেকাংশে মিটবে এবং বাহিরের দেশ থেকে আঙ্গুর আমদানী কমে যাবে। এত করে বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় হবে।
এ ব্যাপারে জেলার এই কৃষি কর্মকর্তা জানান, নাটোর জেলায় আঙ্গুরের চাষ দিনে দিনে বাড়ছে। গত বছর আমজাদ হোসেন নামে এক কৃষক পলিথিন সেড নির্মাণ করে সেখানে সে প্রচুর আঙ্গুর উৎপাদন করেছে। সে অনেকগুলো চারাও উৎপাদন করেছে এবং চারা গুলো অনেকে কিনে নিয়ে রোপন করে ফলন পেয়েছে। বিশেষ করে বাইকুনুর জাতটির ফলন খুবই ভালো। এছাড়া ডিক্সন, ভ্যালেজ এ জাতগুলো কম বেশি চাষ হচ্ছে। নাটোরে অনেক বেকার যুবকই এটি নিয়ে কাজ করছে এবং মোটামুটি এখন পর্যন্ত ভালো ফলাফল দেখা যাচ্ছে। এরপর পাকার পরে বোঝা যাবে মিষ্টতা কতটুকু থাকে আর চাহিদা কেমন। যদি ভালো হয় তাহলে বিদেশ থেকে আঙ্গুর আনতে হবে না। যেহেতু এখন পর্যন্ত এর যে মিষ্টতা পাওয়া যাচ্ছে, যে স্বাদ পাওয়া যাচ্ছে তাতে এটা মনে হচ্ছে দেশের উৎপাদন দিয়ে চাহিদা মেটানো যাবে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









