সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার ৭নং লক্ষণাবন্দ ইউনিয়নের পূর্বভাগ গ্রামে টানা ভারী বর্ষণের ফলে টিলা ধসে ময়না মিয়ার বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে ঘরের বেশ কিছু অংশ ভেঙে পড়লেও সৌভাগ্যক্রমে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
বৃহস্প্রতিবার (৯ জুলাই) সকালে ঘরের বেশ কিছু অংশ ভেঙে পড়লেও সৌভাগ্যক্রমে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে ঘরের পাশের টিলার মাটি নরম হয়ে যায়। একপর্যায়ে টিলা ধসে বসতঘরের বেশ কিছু অংশ ভেঙে যায়। এতে প্রায় ২ থেকে ৩ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার জানিয়েছে। ঘটনার সময় পরিবারের সদস্যরা দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়। ঘটনার পর এলাকাবাসী ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়ান এবং বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসনকে অবহিত করেন।
ক্ষতিগ্রস্ত ময়না মিয়া বলেন, “টানা বৃষ্টির কারণে হঠাৎ করেই টিলার মাটি ধসে আমার ঘরের ওপর পড়ে। মুহূর্তের মধ্যে ঘরের বেশ কিছু অংশ ভেঙে যায়। আমরা প্রাণ নিয়ে বাইরে বের হতে পেরেছি, এটাই আল্লাহর রহমত। ঘরবাড়ির অনেক ক্ষতি হয়েছে।”
টিলা ধসের বিষয়ে ৭নং লক্ষণাবন্দ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খলকুর রহমান বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে আমি দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করি। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের খোঁজখবর নিয়েছি। ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে এবং সরকারি সহায়তার বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়া হবে।
গোলাপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য সরকারি বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের ব্যবস্থা করা হবে।
স্থানীয়দের দাবি, টানা বর্ষণ অব্যাহত থাকলে এলাকায় আরও টিলা ধসের আশঙ্কা রয়েছে। তাই ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো দ্রুত পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









