ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর এলপিজি সার্ভিস পয়েন্টের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও সম্মান ক্ষুণ্নের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছে প্রতিষ্ঠানটির কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে অবৈধভাবে ক্রস ফিলিং করা এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রির বিরুদ্ধে প্রশাসনের হস্তক্ষেপও দাবি করেছেন তারা।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুরে বাঞ্ছারামপুর পৌর এলাকার আসাদনগর গ্রামে অবস্থিত বাঞ্ছারামপুর এলপিজি সার্ভিস পয়েন্টের কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে বক্তব্য দেন প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার মো. আব্দুল আজিজ, মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, মো. আলমগীর হোসেন ও মোহাম্মদ রনি।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্যে বক্তারা দাবি করেন, সম্প্রতি উপজেলার ফরদাবাদ এলাকায় ক্রস ফিলিং করা এলপিজি গ্যাস বিক্রির অভিযোগের বিষয়ে খোঁজ নিতে গেলে তাদের লোকজনের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় মোহাম্মদ আরিফ বাদি হয়ে ফরদাবাদ এলাকার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম আষারের বিরুদ্ধে বাঞ্ছারামপুর মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।
বক্তারা অভিযোগ করেন, একটি অসাধু চক্র সরকারি নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে কম দামে ক্রস ফিলিং করা গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি করে গ্রাহকদের প্রলুব্ধ করছে। তাদের ভাষ্য, এ ধরনের সিলিন্ডার ব্যবহার অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এবং যেকোনো সময় দুর্ঘটনা বা বিস্ফোরণের মতো ঘটনা ঘটতে পারে।
তারা আরও বলেন, অধিক মুনাফার আশায় কিছু অসাধু ব্যবসায়ী এ ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িত। এসব ঘটনায় তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান তারা।
সংবাদ সম্মেলনে বাঞ্ছারামপুর এলপিজি সার্ভিস পয়েন্টের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, তারা সরকার নির্ধারিত মূল্য এবং সঠিক ওজনে এলপিজি গ্যাস সরবরাহ করে আসছেন। গ্রাহকদের নিরাপদ ও মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করতেই তারা কাজ করছেন।
এ সময় আরও অভিযোগ করা হয়, উপজেলার ফরদাবাদ এলাকার কয়েকজন ব্যবসায়ী পাশের উপজেলার রামচন্দ্রপুর এলাকার কিছু ব্যবসায়ীর সঙ্গে যোগসাজেশ করে ক্রস ফিলিং করা গ্যাস বিক্রি করছেন। বিষয়টি তদন্ত করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান বক্তারা।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘‘আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে, প্রশাসন তদন্ত করে যদি কোনো সত্যতা পায়, তাহলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে এ বিষয়ে আমার আর কিছু বলার নেই।’’


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









