সেতু আছে,সেতুতে উঠার সংযোগ সড়ক না থাকায় সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার টেংরাখালী গ্রামে সীমানা খালের উপর নির্মাণকৃত সেতুটি যাতায়াতের জন্য কাজে আসছে না। ফলে স্থানীয় বাসিন্দা সহ অন্যান্য গ্রামের মানুষের প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে বাঁশের মই ও সাঁকো ব্যবহার করে সেতুতে যাতায়াত করতে হচ্ছে।
স্থানীয়রা জানায়,সেতু নির্মানের পর তারা আনন্দিত হলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় সেই আনন্দ এখন ভোগান্তিতে পরিণত হয়েছে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় সুত্রে প্রকাশ ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের অর্থায়নে উপজেলার রমজাননগর ইউপির টেংরাখালী গ্রামে সীমানা খালের উপর প্রায় ৩৩ লক্ষ টাকা ব্যয়ে সেতুটি নির্মান করে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান আরিফ এন্টারপ্রাইজ।
স্থানীয় বাসিন্দা দাউদ গাজী, কাদের জানান,এক মাস আগে সেতুর নির্মান কাজ শেষ হলেও এক পাশে সংযোগ সড়ক না থাকায় সেটি কার্যত পানি বেষ্টিত অবস্থায় রয়েছে। ফলে পার্শ্বেমারী, মিরগাং, কালিঞ্চী ও টেংরাখালী গ্রামের বাসিন্দারা এখনো বাঁশের সাঁকো ব্যবহার করে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন।এবং শিক্ষার্থীরাও ভয়ে ভয়ে বই,খাতা নিয়ে যাতায়াত করছেন।
টেংরাখালী গ্রামের বাসিন্দা মোহাম্মদ গাজী বলেন, ‘‘সেতু হয়েছে, কিন্ত উঠার রাস্তা এখনও তৈরী হয়নি। কবে মাটি ফেলে রাস্তা হবে জানিনা।”
রমজাননগর ইউপি সদস্য আব্দুল হামিদ লাল্টু বলেন, ‘‘বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে। সরজমিনে এসে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।”
মুন্সিগঞ্জ ইউপি সদস্য আনারুল ইসলাম বলেন, ‘‘সেতু নির্মানের সময় দুই পাশের মাটি রাখা হয়নি। এতে সংযোগ সড়ক ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে ভেঙ্গে গেছে। তিনি টেকসই সংযোগ সড়ক নির্মানের দাবী জানান।”
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মিরাজ হোসেন খান বলেন, ‘‘সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে বিষয়টি বলা হয়েছে। বৃষ্টি কমলেই সংযোগ সড়কের কাজ শুরু হবে।”


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









