বৃষ্টি কমলেও সুনামগঞ্জ তাহিরপুরে কয়েকদিনের প্রবল বৃষ্টি আর ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের পানিতে বাড়ছে নদী ও হাওরের পানি।
সে কারণে উপজেলার নিন্মাঞ্চলে বসত বাড়ি,শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সড়কে পানি উঠার আশংকা বাড়ছে। সল্প মেয়াদে বন্যাও হতে পারে। আর তা নির্ভর করেছে ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের পানির উপর বলে জানিয়েছেন পাউবো।
এদিকে তাহিরপুর-সুনামগঞ্জ সড়কের শক্তিয়ারখলা ১০০ মিটার, দুর্গাপুর মাজার এলাকা ও আনোয়ারপুর সড়কে পানি উঠলেও তা সকাল থেকে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
তবে পাহাড়ি ছড়া ও যাদুকাটা,পাটলাই, বৌলাই সহ অন্যান্য নদীর তীরবর্তী বসত বাড়ি স্রোতের তোড়ে ভেঙে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।
অপরদিকে ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ছড়া দিয়ে নেমে আসা পানিতে সীমান্ত এলাকা বেশ কিছু বসতবাড়ি ক্ষতি গ্রস্ত ও শুল্ক বন্দরের ডিপোতে থাকা কয়লা ও চুনাপাথর পানির স্রোতে ভেষে গেছে।
টাংগুয়ার হাওর পাড়ে বাসিন্দা জহির মিয়া জানান,বৃষ্টি কমলেও হাওর ও নদীতে পানি বাড়ছে।
তাহিরপুর সীমান্তের চারাগাও গ্রামে বাসিন্দা এইচ এম আব্দুল হামিদ জানান,ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ছড়া দিয়ে প্রবল স্রোতে বসত বাড়ি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ভাঙনের মুখে পড়েছে।
বড়ছড়া কয়লা চুনাপাথর আমদানি কারক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক সবুজ আলম জানান,পাহাড়ি ঢলের পানিতে বেশ কিছু ব্যবসায়ীর শুল্ক বন্দর এলাকায় ডিপুতে স্তুপ করে রাখা কয়লা ও চুনাপাথর স্রোতে পানিতে ভেসে গিয়েছে।
তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মেহেদী হাসান মানিক জানান,পরিস্থিতি বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে, এছাড়াও আশ্রয় কেন্দ্র গুলো খোলা হয়েছে। বৃষ্টির পরিমান অনেক কমেছে তবে নদী ও হাওরে পানি বেড়েছে। তাহিরপুর সুনামগঞ্জ সড়ক যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









