পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় এক স্কুলশিক্ষিকার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত স্কুলশিক্ষিার নাম দীপা দাস (৩৮)।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাতে উপজেলার রণগোপালদী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ জানায়, উপজেলার রণগোপালদী গ্রামের দেব নারায়ণ সরকারের ছেলে ও ঔষধ ব্যবসায়ী শব্যসাচী সরকারের স্ত্রী দীপা দাস (৩৮) নিজ শয়নকক্ষের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না/দড়ি পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘরের তালা ভেঙে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
শুক্রবার ( ১০ জুলাই) সকালে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
দীপা দাস উপজেলার উলানিয়া হাট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ধর্মীয় বিষয়ের সহকারী শিক্ষিকা ছিলেন। তাঁর বাবার বাড়ি গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়া উপজেলার হিজলবাড়ী গ্রামে। তিনি এক ছেলে সন্তানের জননী। তাদের ছেলে সুদীপ্ত সরকার (১৩) স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
নিহতের স্বামী শব্যসাচী সরকার জানান, ঘটনার দিন দুপুরে রান্নায় মসলা বেশি হওয়া নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সামান্য কথা-কাটাকাটি হয়েছিল। তার ধারণা, ওই ঘটনার অভিমানে দীপা দাস এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকতে পারেন। তিনি দাবি করেন, তাদের সংসারে উল্লেখযোগ্য কোনো পারিবারিক বিরোধ ছিল না।
নিহতের ছোট ভাই বিনয় কৃষ্ণ দাস বলেন, তার বোনের মৃত্যুর পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে বলে তাদের পরিবারের মনে হয় না। এ ঘটনায় তাদের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগও করা হয়নি।
দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম জানান, ঘটনাটির প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চলছে। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা দায়ের করেছে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









