গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে বিশাল রামমূর্তি নির্মাণের উদ্যোগ নিয়ে দেশজুড়ে আলোচনায় আসা হরিদাস চন্দ্র ওরফে তরণী দাসকে গ্রেপ্তার করেছে সিআইডি।
রাজধানী ঢাকার উত্তরা পশ্চিম থানায় দায়ের করা প্রায় ১০ কোটি টাকার একটি মানি লন্ডারিং (অর্থপাচার) ও হুন্ডি লেনদেনের মামলায় রোববার গভীর রাতে গাইবান্ধার শ্রী শ্রী কালী মন্দির এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে সিআইডির ফিন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট।
গ্রেপ্তার হরিদাস চন্দ্র ওরফে তরণী দাস মধ্য রামচন্দ্রপুর গ্রামের গোপীনাথ চন্দ্র দাসের ছেলে।
পলাশবাড়ী থানার ওসি সরোয়ার আলম খান সোমবার বলেন, “ঢাকার উত্তরা পশ্চিম থানার একটি মানি লন্ডারিং মামলায় তাকে ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট (সিআইডি) পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। তাকে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।”
তিনি বলেন, “মন্দির এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং পরিবেশ স্বাভাবিক রয়েছে।”
২০২২ সালে প্রতারণার একটি মামলায় আগেও তিনি গ্রেফতার হয়েছিলেন।
গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে আলোচিত ‘বৃহত্তম রামমূর্তি’ স্থাপন ও নির্মাণকাজ সেই জুনেই স্থগিত ঘোষণা করে শ্রী রাধা গোবিন্দ ও কালী মন্দির কমিটি। এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এবং ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে তখন জানিয়েছিল মন্দির কমিটি।
ওই সময় বিজ্ঞপ্তিতে মন্দির কর্তৃপক্ষ জানায়, রামমূর্তি নির্মাণকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন মহল থেকে নানা ধরনের প্রশ্ন, মতামত ও প্রতিবাদ উঠে এসেছে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অটুট রাখা এবং মুসলিম সম্প্রদায়ের অনুভূতির প্রতি সম্মান জানিয়ে এই মন্দিরের নির্মাণকাজ স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রশাসন, রাজনৈতিক দল কিংবা কোনো পক্ষের চাপের মুখে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









