প্রায় সপ্তাহব্যাপী টানা বৃষ্টিতে পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার কৃষকরা আমন বীজতলা নিয়ে কৃষকরা শংকিত। তৈরী করা বীজতলা অতিবর্ষণের পানিতে তলিয়ে থাকায় বীজ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। আবার ক্ষেত পানিতে তলিয়ে থাকায় কৃষকরা নতুন ভাবে বীজতলা করতে পারছেনা। তাই আমন আবাদ বিঘœ হওয়ার আশংকা করছে কৃষকরা।
উপজেলা কৃষি দপ্তর থেকে দেয়া তথ্য মতে আমনের জন্য এখন পর্যন্ত তৈরী করা ৭ শত হেক্টর বীজতলাই আংশিক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। একই সাথে পানির নিচে তলিয়ে থাকায় প্রায় ১৯শত হেক্টর আউশ ফসলও ক্ষতির মুখে আছে। সবচেয়ে বেশী ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা হলো মিরুখালী, দাউদখালী, টিকিকাটা ও সাপলেজা ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম। এছাড়া সবজি, কলা ও পেপে ক্ষেতও ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।
নাগ্রাভাঙ্গা গ্রামের কৃষক মো. সোলায়মান ফরাজী জানান, তার প্রায় ৫০শতক বীজতলা পানির নিচে তলিয়ে আছে। পানি দ্রুত না কমলে বীজতলা ক্ষতিগ্রস্থ হবে বলে তিনি জানান।
পশ্চিম সেনের টিকিকাটা গ্রামের কৃষক মো. হুমায়ুন কবির জানান, বীজতলা করার জন্য ১০ কেজি ধান ভিজিয়ে রেখেছেন। কিন্তু ক্ষেত পানির নিচে থাকায় বীজতলা করতে না পারায় বীজ ধান পঁচে যাচ্ছে।
ক্ষতিগ্রস্থ একাধীক কৃষক জানান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের অপরিকল্পিত বেরিবাঁধ, স্লুইচগেট না থাকা পানি বদ্ধতার সৃষ্টি হয়ে প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে তারা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কামরুন নেছা সুমি জানান, টানা বৃষ্টিতে পানি বদ্ধতার সৃষ্টি হয়ে বীজতলা আংশিক ক্ষতিগ্রস্থ হলেও এখন পর্যন্ত সহনীয় পর্যায়ে আছে। পানি বদ্ধতা আরও ২/৩ দিন স্থায়ী হলে ক্ষতি বারবে বলে তিনি জানান। কৃষকদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ করে তাদের করনীয় সম্পর্কে পরামর্শ দেয়া হচ্ছে বলে তিনি জানান।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









