অতিবৃষ্টির প্রভাবে ফরিদপুরের বিভিন্ন এলাকায় ফসলের মাঠে পানি জমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। ইতিমধ্যেই নষ্ট হয়েছে প্রায় ১শ হেক্টর জমির সবজি ও বীজতলা।
ফসলের মাঠ থেকে পানি নিস্কাশনসহ সরকারি সহযোগিতার দাবি জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্থ চাষীরা । বৈরি আবহাওয়া শেষে চুড়ান্ত জরিপ করে প্রনোদনার আশ্বাস দিয়েছে কৃষি বিভাগ।
গত এক সপ্তাহের অব্যাহত বৃষ্টির কারণে ফরিদপুর জেলার মধুখালী, কানাইপুর, গোবিন্দপুর, তাম্বুলখানাসহ বিভিন্ন এলাকার মরিচের ক্ষেত, লালশাক, পুইসবজি ও ধানের বীজতলার ক্ষতি হয়েছে সবচেয়ে বেশি।
বিভিন্ন জায়গাতে খাল ও কালভাট ভরাট থাকায় অতিবৃষ্টিতে ফসলের মাঠে জমে থাকা পানি বের হতে পারছে না। যার কারণে ডুবে আছে কৃষকের স্বপ্নের ফসল। এমন পরিস্থিতে ব্যাপক ক্ষতি ও লোকশানের মুখে পড়েছে চাষীরা। তাই দ্রুত পানি অপসারণসহ সরকারি সহযোগিতার দাবি ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের।
কানাইপুরের ক্ষতিগ্রস্ত চাষী হাফেজ বেপারী জানান আড়াই বিঘা জমিতে মরিচ চাষ করেছিলেন তিনি। বৃষ্টিতে আজ দশ দিন যাবত তলিয়ে গেছে।গাছগুলো সব মরে যাচ্ছে। ক্ষেতের পিছনে প্রায় এক লক্ষ টাকা তার বিনিয়োগ পুরোটাই পানিতে গেল।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ফরিদপুরের উপপরিচালক মোঃ শাহাদুজ্জামান জানান, “অতিবৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার কারণে ইতিমধ্যে ২শ হেক্টর বোরো-আমন ধানের বীজতলার মধ্যে ক্ষতি হয়েছে ৬৫ হেক্টর, মরিচ ১০ হেক্টর ও ৪৩ হেক্টর জমির সবজির ক্ষেত নষ্ট হয়েছে।” বৈরি আবহাওয়া কাটার ৫ থেকে ৬ দিন পরে ফসলের চুড়ান্ত ক্ষতির পরিমাপ করে সংশ্লিষ্ট দপ্তর কে অবহিত করা ও ক্ষতিগ্রস্ত চাষীদের সহযোগিতার আশ্বাস দেন এই কৃষি কর্মকর্তা।
ফরিদপুর জেলা আবহাওয়া অফিসের তথ্য মতে গত ১২ ও ১৩ জুলাই যথাক্রমে ১২১ এবং ১০৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাতসহ গত এক সপ্তাহে মোট বৃষ্টি হয়েছে ১৮৪ মিলিমিটার।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









