‘‘এখন উদযাপনের সময় নেই, সামনে দেশ গঠনের চ্যালেঞ্জ রয়েছে’’ বলে মন্তব্য করে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, ‘‘জনগণের প্রত্যাশা পূরণ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানিসহ লজিস্টিক সংকট দূর করা এবং দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের মাধ্যমে জাতীয় অর্থনীতিতে গতি সঞ্চার করাই সরকারের মূল লক্ষ্য।’’
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সিলেট মহানগর বিএনপির কার্যালয় উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন বাণিজ্যমন্ত্রী।
জেলা পর্যায়ে মন্ত্রী-এমপিদের উন্নয়ন ও আইনশৃঙ্খলা সমন্বয়ের দায়িত্ব দেওয়া নিয়ে সমন্বয়হীনতার আশঙ্কা প্রসঙ্গে খন্দকার মুক্তাদির বলেন, ‘‘এটি সমন্বয়হীনতা তো করবেই না, বরং দলীয় সাংগঠনিক অবস্থানটাকে একটা ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে প্রত্যেক জায়গায় দেখার, যাচাই করার, দলীয় শক্তির বিন্যাসের জন্য নতুন উদ্যম সংযোজন করবে।’’
সম্প্রতি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে ৬৪ জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, দুর্নীতি ও মাদক নিয়ন্ত্রণ এবং সরকারের কার্যক্রম তদারকি ও সমন্বয়ের জন্য ৩০ জন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের হুইপকে দায়িত্ব দেওয়া হয়।
আমদানি-রপ্তানি পরিস্থিতি নিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘স্বাধীনতার পর থেকেই বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে আমদানি বেশি, রপ্তানি কম। শিল্প উৎপাদনের প্রয়োজনীয় অনেক কাঁচামাল দেশে উৎপাদিত না হওয়ায় আমদানির ওপর নির্ভর করতে হয়। প্রতিবছর বাংলাদেশকে প্রায় ৬০ থেকে ৭০ লাখ টন গম আমদানি করতে হয়। তবে চালে দেশ স্বয়ংসম্পূর্ণ।’’
তিনি বলেন, ‘‘আমদানি কমিয়ে রপ্তানি বাড়ানো সহজ নয়। বাণিজ্যের পরিমাণ বাড়ানোর পাশাপাশি নতুন বিনিয়োগ আনা, রপ্তানির নতুন খাত চিহ্নিত করা এবং সেগুলো সম্প্রসারণে জোর দিতে হবে। সরকার এসব বিষয়ে কাজ করছে, যার ফলাফল সামনে পাওয়া যাবে।’’
খন্দকার মুক্তাদির বলেন, ‘‘মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন করাই সরকারের লক্ষ্য। এ জন্য জ্বালানি ও বিদ্যুৎ-সংকটসহ বিভিন্ন লজিস্টিক সমস্যা দূর করে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করতে হবে। পাশাপাশি শিল্প, বাণিজ্য ও অর্থনীতির বিভিন্ন খাত শক্তিশালী করা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।’’
এসময় সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন, সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরীসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









