বাগেরহাট-২ (সদর-কচুয়া) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ছিলেন শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন এবং স্বতন্ত্র (বিএনপির বিদ্রোহী) প্রার্থী এম এ এইচ সেলিমের সমর্থকদের মাঝে নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতায় আহত ওসমান সরদার (২৯) মারা গেছেন।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত ওসমান সরদার বাগেরহাট সদর উপজেলার পাড়নওয়াপাড়া গ্রামের শাহজাহান সরদারের ছেলে। তিনি স্বতন্ত্র (বিএনপির বিদ্রোহী) প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য এম এ এইচ সেলিমের সমর্থক ছিলেন।
এরআগে শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় কচুয়া উপজেলার ধোপাখালী ইউনিয়নের ছিটাবাড়ি গ্রামে বিএনপি ও স্বতন্ত্র (বিদ্রোহী) প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে ওসমান সরদারসহ উভয় পক্ষের ১০ জন আহত হয়।
নিহতের বড় ভাই এনামুল কবির সরদার অভিযোগ করে বলেন, ধানের শীষ প্রতীকের সমর্থকরা এলাকায় ঘোড়া প্রতীকের সমর্থকদের খুঁজছিলেন। এ সময় তার ভাইসহ কয়েকজনের সঙ্গে কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে ওসমানের মাথায় আঘাত করলে সে গুরুতর আহত হয়। পরে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে বাগেরহাট সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসকরা তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
বাগেরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুম খান বলেন, চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওসমান সরদারের মৃত্যু হয়েছে। এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার পক্রিয়া চলছে।
বাগেরহাট-২ (সদর-কচুয়া) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ছিলেন শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন। একই আসনে স্বতন্ত্র (বিএনপির বিদ্রোহী) প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন সাবেক সংসদ সদস্য এম এ এইচ সেলিম। উভয় প্রার্থীকে বড় ব্যবধানে পরাজিত করে আসনটিতে বিজয়ী হন জামায়াত মনোনীত প্রার্থী শেখ মনজুরুল হক রাহাদ।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









