ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার চান্দেরহাট সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে আসাদুল হক (৩৫) নামের এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও দুই বাংলাদেশি বিএসএফের হাতে আটক হয়েছেন এবং একজন নিখোঁজ রয়েছেন।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) ভোররাতে এই সীমান্ত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত আসাদুল হক পীরগঞ্জ উপজেলার ইন্দ্রইল গ্রামের ওয়াজেদ আলীর ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার ভোররাতে চান্দেরহাট সীমান্ত দিয়ে আসাদুলসহ পাঁচজন বাংলাদেশি অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের চেষ্টা করছিলেন। এ সময় ভারতের কালিয়াগঞ্জের চকসিবানন্দ ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্যরা তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে আসাদুল আহত হন। এ সময় বিএসএফের হাতে আরও দুজন আটক হন এবং একজন পালিয়ে আসতে সক্ষম হন। এছাড়া আরও একজন নিখোঁজ রয়েছেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে আটক ও নিখোঁজদের পূর্ণাঙ্গ নাম-ঠিকানা জানা যায়নি।
গুলিবিদ্ধ আসাদুলকে দ্রুত ভারতের রায়গঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে বিএসএফ। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। শনিবার বিকেলে ওই হাসপাতালেই তাঁর ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়।
এদিকে এ ঘটনায় ভারতীয় গণমাধ্যমে সংবাদ প্রচারিত হলেও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) চান্দেরহাট ক্যাম্পের ইনচার্জ বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন বলে জানিয়েছেন। তবে পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) আব্দুল হাকিম শনিবার রাতে বিষয়টি শুনেছেন এবং খোঁজখবর নিচ্ছেন বলে নিশ্চিত করেছেন।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









