সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সিটি করপোরেশনের পাশাপাশি নগরবাসীকেও সচেতন হতে হবে। এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের পাশাপাশি বাসাবাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। জনসচেতনতা ছাড়া ডেঙ্গু প্রতিরোধে শতভাগ সফলতা অর্জন কঠিন।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে নগর ভবনের সভাকক্ষে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আয়োজিত পরিকল্পনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, এখন ডেঙ্গুর মৌসুম। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী আগাম সতর্কতা ও প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন। তবে সিলেট সিটি করপোরেশন এর আগেই ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে আসছে। এসব উদ্যোগের পাশাপাশি নগরবাসীর সচেতনতা ও সহযোগিতা প্রয়োজন।
সিসিক প্রশাসক বলেন, এখন পর্যন্ত সিলেটে স্থানীয়ভাবে কেউ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হননি। যে কয়েকজন রোগী শনাক্ত হয়েছেন, তাঁদের অন্য অঞ্চলে ভ্রমণের ইতিহাস রয়েছে। তবে এ কারণে আত্মতুষ্টির সুযোগ নেই।
প্রশাসক ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক লিফলেট নগরবাসীর ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি সিটি করপোরেশনের সেবা নিতে আসা নাগরিকদের বাসাবাড়ি পরিচ্ছন্ন রাখা ও কোথাও পানি জমতে না দেওয়ার বিষয়ে সচেতন করার কথা বলেন।
তিনি এডিস মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল চিহ্নিত করে নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন কার্যক্রম চালানোর নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে নগরবাসীর মধ্যে ধারাবাহিকভাবে সচেতনতামূলক প্রচার চালানোর ওপর গুরুত্ব দেন।
সভায় সভাপতিত্ব করেন সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার। তিনি বলেন, স্থানীয়ভাবে ডেঙ্গু সংক্রমণ না থাকলেও বিষয়টি হালকাভাবে দেখার সুযোগ নেই। এডিস মশার বিস্তার রোধে আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি নগরবাসীকেও সহযোগিতা করতে হবে।
সিসিকের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলামের সঞ্চালনায় সভায় জনসংযোগ কর্মকর্তা নেহার রঞ্জন পুরকায়স্থসহ বিভিন্ন ওয়ার্ডের সচিবেরা বক্তব্য দেন।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









