সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলা মৎস্য কার্যালয়ের রাজস্ব খাতের আওতায় ১১ টি জলাশয়ে আরো ৮৫ কেজি পোনামাছ অবমুক্ত করা হয়েছে। গত সোমবার অবমুক্ত করা কিছু পোনামাছ অতিরিক্ত তাপমাত্রা ও অক্সিজেনের অভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়।
বৃহস্পতিবার ( ১লা অক্টোবর) দুপুরে সেই ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পুনরায় পোনামাছ অবমুক্ত করা হয়।
জলাশয়গুলোর পাশাপাশি নতুন করে মইয়ার হাওর ও জগন্নাথপুর থানা পুকুর সংলগ্ন জলাশয় যুক্ত করা হয়।
পোনামাছ অবমুক্তকৃত ১১টি জলাশয় হলো- মইয়ার হাওর, জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদ পুকুর, জগন্নাথপুর থানা পুকুর, সাচায়নীর চন্দন ছাইদুন এতিমখানা, মোল্লারগাঁও জামে মসজিদ, রসুলপুর খানপাড়া জামে মসজিদ, দক্ষিণ ভবানীপুর জামে মসজিদ, পশ্চিম ভবানীপুর উত্তরপার জামে মসজিদ, শেরপুর পুরাতন জামে মসজিদ, সৈয়দপুর দরগাহ জামে মসজিদ এবং ছিলিমপুর জামে মসজিদ।
এ বিষয়ে জগন্নাথপুর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আল আমিন জানান, তীব্র গরম ও অক্সিজেনের অভাবে পূর্বের অবমুক্তকৃত কিছু পোনামাছ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সেগুলোর ক্ষতি পুষিয়ে নিতেই নতুন করে পোনামাছ ছাড়া হয়েছে। একই সঙ্গে মইয়ার হাওর ও থানা পুকুরকেও এবারের তালিকায় নতুন করে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যাতে জলাশয়গুলোর মাছের উৎপাদন স্বাভাবিক থাকে।
এ সময় জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইসলাম উদ্দিন, কৃষি কর্মকর্তা মো. কাওসার আহমেদ, মৎস্য কর্মকর্তা মো. আল আমিন, জগন্নাথপুর থানার সাব-ইন্সপেক্টর নুর হোসেন, শান্তিগঞ্জের হ্যাচারি কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল কাদির ও জগন্নাথপুর প্রেস ক্লাব সভাপতি তাজ উদ্দিন আহমেদসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার জনসাধারণ উপস্থিত ছিলেন।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









