সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, ‘‘নতুন ওয়ার্ডগুলোতে নগরের সব ধরনের নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে বিশেষ প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। এর আওতায় সড়ক, ড্রেন ও স্ট্রিটলাইট স্থাপনের বেশ কিছু কাজ শেষের পথে। কিছু কাজ চলমান এবং কিছু টেন্ডার প্রক্রিয়ায় রয়েছে।’’
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিকেলে নগরের মেজরটিলার একটি কমিউনিটি সেন্টারে ৩১, ৩২, ৩৩ ও ৩৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
এসব ওয়ার্ডের সামগ্রিক উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন ও হোল্ডিং ট্যাক্স চালুসহ বিভিন্ন বিষয়ে সভাটি আয়োজন করা হয়।
আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, ‘‘বিভিন্ন ইউনিয়নের অংশ সিলেট সিটি করপোরেশনের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় এসব এলাকার বাসিন্দারাও নগরের অন্য এলাকার বাসিন্দাদের মতো নাগরিক সুবিধা পাওয়ার অধিকার রাখেন। সিসিক তাদের প্রয়োজনীয় সুবিধা নিশ্চিত করতে কাজ করছে।’’
তিনি বলেন, ‘‘দীর্ঘদিন ২৭টি ওয়ার্ড নিয়ে সিটি করপোরেশনের কার্যক্রম চলেছে। বর্তমানে এর সঙ্গে আরও ১৫টি ওয়ার্ড যুক্ত হয়েছে। তবে ওয়ার্ড বাড়লেও সিসিকের নিজস্ব আয় সে অনুযায়ী বাড়েনি। সিটি করপোরেশনের নিজস্ব আয় থেকেই উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করতে হয়। তাই নাগরিক সেবা ও উন্নয়ন কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণে নিজস্ব আয় বাড়ানো প্রয়োজন।’’
নগরবাসীকে নিয়মিত হোল্ডিং ট্যাক্স পরিশোধ করে সিটি করপোরেশনের উন্নয়ন কার্যক্রমে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি।
সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকারের সভাপতিত্বে সভায় সিসিকের সচিব মো. আশিক নূর, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা বিশ্বজিত দেব, প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা পদ্মাসন সিংহ, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা (অঞ্চল-২) সুমন চন্দ্র দাশ, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, নির্বাহী প্রকৌশলী (পূর্ত) রজি উদ্দিন খানসহ সিসিকের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









