দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে বাদ দিয়ে কোনোভাবেই একটি উন্নত ও শক্তিশালী জাতি গঠন সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান। তিনি বলেন, শিক্ষা নিয়ে কোনো ধরনের হেলাফেলা বা ছেলেখেলা করা যাবে না।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকেলে নরসিংদীর পলাশ উপজেলা আধুনিক মাল্টিপারপাস অডিটোরিয়ামে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বেসরকারি শিক্ষকদের বিভিন্ন সুবিধা ও বেতন বৃদ্ধির ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে মঈন খান বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানই প্রথম শিক্ষকদের বেতন ৫০ শতাংশে উন্নীত করেছিলেন। ১৯৯১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় এসে বেগম খালেদা জিয়া আরও ৩০ শতাংশ যোগ করে বেতন ৮০ শতাংশে উন্নীত করেন। দীর্ঘ সময় শিক্ষকদের ভাতা না বাড়ার পর ২০০১ সালে খালেদা জিয়ার সরকারই শিক্ষকদের এমপিওভুক্তির মাধ্যমে শতভাগ বেতন-ভাতা নিশ্চিত করে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে ২৯ হাজার মাধ্যমিক ও বেসরকারি স্কুলের শিক্ষকরা যে সরকারি সহায়তা পাচ্ছেন, তা বিএনপি সরকারের ধারাবাহিক অবদান। সম্প্রতি অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের পেনশন ও আর্থিক সুবিধা সহজীকরণে বর্তমান সরকারের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপেরও প্রশংসা করেন তিনি।
পলাশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইশতিয়াক আহমেদের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন খান ফাউন্ডেশন ও দি মিলেনিয়াম ইউনিভার্সিটির চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট রোখসানা খন্দকার।
অনুষ্ঠানে পলাশ উপজেলার বিভিন্ন স্তরের শিক্ষকরা অংশ নেন।
আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন পলাশ উপজেলা শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও খানেপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হুমায়ুন কবীর, উপজেলা কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শহীদুল হক বাচ্চু, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সমিতি পলাশ উপজেলা শাখার সভাপতি সুলতান উদ্দিন, জনতা আদর্শ বিদ্যাপীঠের প্রধান শিক্ষক মাসুদ খান, পলাশ থানা সেন্ট্রাল কলেজের অধ্যক্ষ আমীর হোসাইন গাজী, পলাশ উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল সাত্তার, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, ঘোড়াশাল পৌর বিএনপির সভাপতি আলম মোল্লা ও সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন প্রমুখ।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









