নির্বাচনে হেরে গেলেও থেমে যাননি বাগেরহাট-৪ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী বাবু সোমনাথ দে। জনগণকে দেওয়া অঙ্গীকার রক্ষার চেষ্টা তৎপর তিনি। নির্বাচনের ফলাফল ঘোষনার পর থেকেই সাধারণ জনগণ ও দলীয় নেতাকর্মীদের খোঁজ খবর রাখছেন নিয়মিত।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) ছুটে যান শরণখোলা উপজেলার পূর্ব খোন্তাকাটা গ্রামে দুর্বৃত্তদের দেওয়া আগুনে পুড়ে যাওয়া দোকানের মালিক প্রতিবন্ধী তুহিন ফরাজির বাড়িতে।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তুহিন ফরাজীর পরিবারের প্রতি সহমর্মীতা জানান বাবু সোমনাথ দে। এসময় তার ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে কিছু নগদ অর্থ প্রদান করেন।
সহায়তা পেয়ে তুহিন ফরাজী বলেন, ‘নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার পরেও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এ উদাহরন একটি মানবিক দৃষ্টান্ত।’
বাবু সোমনাথ দে বলেন, ‘নির্বাচনের আগে অঙ্গীকার করেছিলাম, সুখে দুঃখে মানুষের পাশে থাকবো। কতিপয় মানুষের ষড়যন্ত্রে আমি নির্বাচনে সামান্য ভোটে হেরে গেলেও আপনাদের ভালোবাসার কাছে আমি কৃতজ্ঞ। আমি আমার সাধ্যমত সব মানুষের সুখে দুঃখে পাশে থাকার অঙ্গীকার পূরণ করে যাব।’
এসময় ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মহিউদ্দিন শাজাহানসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এরপর বাবু সোমনাথ দে পাশ্ববর্তী খাউলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সেলিম মিয়ার লাশ দেখতে তার বাড়িতে ছুটে যান। দীর্ঘ অসুস্থতার পর ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন বিএনপি নেতা সেলিম মিয়া।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









