পাবনার ভাঙ্গুড়া ও ফরিদপুর উপজেলার বড়াল-গুমানী নদীর খোলা পানিতে ভাসমান খাঁচায় (কেজ কালচার) উচ্চ ঘনত্বে মাছ চাষ করে দারুণ সাফল্য পেয়েছেন স্থানীয় উদ্যোক্তারা। বিস্তৃত জলরাশিতে অল্প জায়গায় তুলনামূলক বেশি মাছ উৎপাদনের সুযোগ ও নিশ্চিত সাফল্য থাকায় এ পদ্ধতির দিকে ঝুঁকছেন চাষিরা। তবে অপার সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও নানা সীমাবদ্ধতায় বৃহৎ পরিসরে এই চাষ সম্প্রসারণ করা যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
সরেজমিন দেখা গেছে, বড়াল-গুমানী নদীর বিভিন্ন পয়েন্টের দুই পাশে সারি সারি ভাসমান খাঁচায় চলছে মাছ চাষ। স্থানীয়ভাবে বর্তমানে প্রায় ৩০০টি খাঁচায় এ পদ্ধতিতে মাছ চাষ অব্যাহত রয়েছে।
উদ্যোক্তারা জানান, মুক্ত পানিতে বিনামূল্যে বা কম খরচে অল্প জায়গায় অধিক মাছ উৎপাদনের সুয়োগ থাকায় এ পদ্ধতিতে লাভের সম্ভাবনা অনেক বেশি। তবে এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে চলনবিলের বিশাল বিস্তৃত জলবেষ্টিত অঞ্চলকে মৎস্য চাষের আওতায় আনতে পারলে দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনের পাশাপাশি বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের নতুন দ্বার উন্মোচিত হতে পারে।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে সহজ শর্তে ঋণ, আর্থিক সহায়তা, পানি দূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং মাছ চাষের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা গেলে খোলা পানিতে খাঁচায় মাছ চাষ আরও বহুগুণ সম্প্রসারিত হতে পারে। এতে নদীভিত্তিক মাছের উৎপাদন বাড়ার পাশাপাশি স্থানীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









