প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজশাহী সফর ও মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে পুরো নগরজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে এক অভাবনীয় উৎসবমুখর পরিবেশ। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুর থেকেই ঐতিহ্যবাহী রাজশাহী মাদ্রাসা মাঠে জড়ো হতে শুরু করেছেন বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের হাজার হাজার নেতাকর্মী। জনসভাকে সফল করতে নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ড ও আশপাশের উপজেলা থেকে খণ্ড খণ্ড ব্যানার-ফেস্টুনসহ মিছিল নিয়ে মাঠে আসছেন তাঁরা।
দলীয় সফরসূচি অনুযায়ী, সকালে বিশেষ ফ্লাইটে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে অবতরণের পর রংপুরে যান প্রধানমন্ত্রী। সেখানে স্থানীয় পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও পথসভায় যোগ দেন তিনি। রংপুর বিভাগের কর্মসূচি শেষে দুপুর ১টার দিকে রাজশাহীর শাহ মখদুম বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে তাঁর। পরবর্তীতে দুপুর দেড়টায় রাজশাহীর ঐতিহ্যবাহী ধর্মসভা মণ্ডপ দর্শন এবং বেলা ৩টায় ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে রাজশাহী মহানগর ও জেলা বিএনপি আয়োজিত বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী।
এদিকে প্রধানমন্ত্রীর আগমন ও জনসভাকে ঘিরে ভোর থেকেই মাদ্রাসা মাঠের চারপাশে নেতাকর্মী ও সমর্থক জমায়েত হতে থাকেন। বেলা বাড়ার সাথে সাথে জনসভাস্থলের আশপাশে ঢল নামে নেতাকর্মীদের। চারদিকে নানা স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে জনসভায় যোগ দিতে আসা বিএনপি নেতা মাসুদ আলী উল্লাস প্রকাশ করে বলেন, “প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর এটিই তারেক রহমানের প্রথম রাজশাহী সফর। আমরা অনেক আগেই চলে এসেছি। আমাদের প্রিয় নেতাকে কাছ থেকে দেখতে পেরে ও তাঁর ভাষণ শোনার অপেক্ষায় ভালো লাগছে।”
রাজশাহী মহানগর যুবদল নেতা শরিফুল ইসলাম জনি বলেন, “আমাদের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক দেশনায়ক তারেক রহমানের রাজশাহী সফর উপলক্ষে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন। আর কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি রাজশাহী পৌঁছাবেন। সমগ্র রাজশাহীবাসী আজ তাঁকে সাদরে অভ্যর্থনা জানাতে প্রস্তুত।”
লিটন আলী নামের এক সাধারণ বিএনপি কর্মী আবেগপ্লুত হয়ে বলেন, “প্রধানমন্ত্রী আসছেন, তাই আমরা আজ খুব আনন্দিত। তাঁকে আজ সরাসরি দেখতে পাব এবং তাঁর ঐতিহাসিক বক্তব্য নিজের কানে শুনতে পারব, এটাই বড় পাওয়া।”
প্রধানমন্ত্রীর এই জনসভাকে ঘিরে কেবল দলীয় নেতাকর্মীই নন, স্থানীয় সাধারণ মানুষের মধ্যেও ব্যাপক কৌতুহল ও উৎসাহ দেখা গেছে। উপস্থিত সাধারণ মানুষ ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রত্যাশা, প্রধানমন্ত্রীর এ বক্তব্যে রাজশাহী অঞ্চলের সার্বিক উন্নয়ন, নতুন শিল্পকারখানা স্থাপন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং উত্তরবঙ্গের দীর্ঘদিনের বঞ্চনা নিরসনে সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা থাকবে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









