শিক্ষার্থীদের মেধা অন্বেষণ, প্রতিভার বিকাশ ও পড়ালেখায় উৎসাহিত করার লক্ষ্যে ভোলায় অনুষ্ঠিত হয়েছে কিশোরকণ্ঠ মেধাবৃত্তি পরীক্ষা-২০২৬। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সকাল ১০টায় জেলার দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ২৭টি হলে একযোগে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে চতুর্থ থেকে দশম শ্রেণির প্রায় ১ হাজার ৭০০ শিক্ষার্থী অংশ নেয়।
ভোলা সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় এবং ভোলা কালেক্টর স্কুল অ্যান্ড কলেজে পরীক্ষার কেন্দ্র নির্ধারণ করা হয়। সকাল থেকেই শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের উপস্থিতিতে কেন্দ্রগুলোতে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
কিশোরকণ্ঠ পাঠক ফোরামের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ মেধাবৃত্তি পরীক্ষার মূল উদ্দেশ্য হলো দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা মেধাবী শিক্ষার্থীদের খুঁজে বের করা, তাদের প্রতিভার স্বীকৃতি দেওয়া এবং বৃত্তি প্রদানের মাধ্যমে পড়াশোনায় উৎসাহিত করা। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে সুস্থ প্রতিযোগিতার মনোভাব গড়ে তোলাও এ আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য।
পরীক্ষার কেন্দ্র পরিদর্শন করেন চরফ্যাশন সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাম্মদ উল্লাহ স্বপন এবং নাজিউর রহমান কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মাকসুদুর রহমান। এ সময় তাঁরা পরীক্ষার সার্বিক পরিবেশ ও শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ পর্যবেক্ষণ করেন।
পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা জানায়, এ ধরনের বৃত্তি পরীক্ষা তাদের মেধা যাচাইয়ের পাশাপাশি নিজেদের যোগ্যতা ও সামর্থ্য সম্পর্কে ধারণা পেতে সহায়তা করে। একই সঙ্গে পড়াশোনায় আরও মনোযোগী হতে এবং ভালো ফলাফল অর্জনে অনুপ্রেরণা জোগায়।
অভিভাবকদের মতে, শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে এ ধরনের আয়োজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত বৃত্তি পরীক্ষার আয়োজন করা হলে শিক্ষার্থীরা নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণের পাশাপাশি বৃহত্তর পরিসরে প্রতিযোগিতার সুযোগ পাবে। এতে তাদের আত্মবিশ্বাস, অধ্যবসায় ও পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ বাড়বে।
আয়োজকরা জানান, মেধাবী শিক্ষার্থীদের খুঁজে বের করে তাদের প্রতিভার বিকাশ ঘটানো এবং জ্ঞান, নৈতিকতা ও যোগ্যতায় সমৃদ্ধ প্রজন্ম গড়ে তোলাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। শিক্ষার্থীদের মাদক ও অসামাজিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রেখে দেশ ও সমাজের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে কিশোরকণ্ঠের এ কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









