ফরিদপুরের ভাঙ্গা সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন সহকারী শিক্ষক নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ১০ম শ্রেণীর এক ছাত্রীর সাথে আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল হয়েছে।
রবিবার (১ নভেম্বর) সকাল থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে সহকারী শিক্ষকের নজরুল ইসলামের আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল হয়ে পড়লে তোলপাড় সৃষ্টি হয়।
এই ঘটনায় ভাঙ্গা সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হায়দার হোসেন স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে ঐ শিক্ষককে বরখাস্ত করা হয়েছে।
সহকারী শিক্ষক নজরুল ইসলামের পরিচালিত কোচিং সেন্টারে ছাত্রীর সাথে আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় অভিভাবকসহ সচেতন মহলের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
অভিভাবক ও সচেতন মহলের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে ভাঙ্গা সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় এলাকার শিক্ষা ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে মর্যাদাপূর্ণ স্থান দখল করে আছে। প্রতিষ্ঠানটি যুগের পর যুগ হাজার হাজার শিক্ষার্থী পড়াশোনা করে আসছেন।
সম্প্রতিকালে শিক্ষাঙ্গনে কিছু শিক্ষকের কর্মকাণ্ড নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। বিদ্যালয়টির সুনাম অক্ষুণ্ণ রাখতে এবং নৈতিক পরিবেশ বজায় রাখতে সাধারণ শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় সচেতন মহল গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয় বাসিন্দারা ও শিক্ষার্থীরা তীব্র নিন্দা জানান এবং ওই শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন।
স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, এই ধরনের অনৈতিক কাজের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা চরম হুমকির মুখে পড়বে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পবিত্রতা রক্ষায় এমন ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তারা।
ভাঙ্গা সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. হায়দার হোসেন এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘‘নজরুল ইসলাম আমাদের বিদ্যালয়ের একজন খণ্ডকালীন সহকারী শিক্ষক ছিলেন। তার বিরুদ্ধে একটু ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখার পরে তাৎক্ষণিকভাবে স্কুল থেকে অব্যাহতি দিয়েছি। তাছাড়া যে ঘটনাটি ঘটেছে তা আমাদের বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে নয় বরং তার নিজস্ব পরিচালিত একটি কোচিং সেন্টারে। তারপরও যেহেতু একজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে একজন ছাত্রী আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সেজন্য তাকে শাস্তিমূলকভাবে বিদ্যালয় থেকে বরখাস্ত করেছি।’’


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









