গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে নেশা করে মা ও স্ত্রীকে মারধর এবং বাড়িঘর ও আসবাবপত্র ভাঙচুরের অভিযোগে ছেলেকে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন এক মা। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত ওই যুবককে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা জরিমানা করেছেন।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তামশিদ ইরাম খান এ দণ্ডাদেশ দেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত যুবকের নাম রিপন চন্দ্র শীল (২৫)। তিনি উপজেলার কোচাশহর ইউনিয়নের শক্তিপুর গ্রামের মৃত গোলক চন্দ্র শীলের ছেলে।
স্থানীয় বাসিন্দা, পুলিশ ও ভুক্তভোগী পরিবারের সূত্রে জানা গেছে, রিপন চন্দ্র শীল নেশাগ্রস্ত অবস্থায় প্রায়ই তাঁর মা ও স্ত্রীকে মারধর করতেন। পাশাপাশি বাড়িঘর, আসবাবপত্র ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ভাঙচুর করতেন। তাঁর এমন আচরণে অতিষ্ঠ হয়ে পরিবারের সদস্যরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অভিযোগও করেছিলেন।
এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার সকালে আবারও নেশাগ্রস্ত অবস্থায় পরিবারের সদস্যদের মারধর ও বাড়ির বিভিন্ন জিনিসপত্র ভাঙচুর করেন রিপন। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাঁকে আটকে রেখে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁকে আটক করে। এরপর ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাঁকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা জরিমানা করা হয়।
গোবিন্দগঞ্জ থানার ডিউটি অফিসার এসআই আসাদ জানান, ভ্রাম্যমাণ আদালতে সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় মাকে মারধরের অভিযোগ ছিল।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তামশিদ ইরাম খান জানান, ওই যুবক প্রায়ই নেশা করে তাঁর মা ও স্ত্রীকে মারধর করতেন এবং বাড়িঘর ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ভাঙচুর করতেন। এতে এলাকার শান্তিশৃঙ্খলা বিঘ্নিত হওয়ায় তাঁকে এক মাসের কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









