সাতক্ষীরার শ্যামনগরে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের হস্তক্ষেপের পর রাস্তার মাঝ থেকে বিদ্যুতের খুঁটি অপসারণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) ইউএনও’র নির্দেশনার পর স্থানীয় সরকার বিভাগ ও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি খুঁটিটি অপসারণ করে।
এরআগে রাস্তার মাঝে বিদ্যুতের খুঁটি রেখে নির্মানাধীন সড়কের কাজ এগিয়ে নেওয়ার ঘটনায় ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাধারণ মানুষের প্রতিক্রিয়া দেখতে পেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামসুজ্জাহান কনক খুঁটি অপসারণের উদ্যোগ নেন।
উপজেলার নীলডুমুর খেয়াঘাট থেকে পোড়াকাটলা পর্যন্ত বিস্তৃত সড়কে প্রতিদিন হাজারও মানুষের পাশাপাশি শত শত ছোট যানবাহন চলাচল করে থাকে। মধ্যভাগ থেকে খুঁটি সরে যাওয়ায় যানবাহন ও মানুষ চলাচলের পথ বিস্তৃত হওয়ায় স্থানীয়রা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে।
জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত নীলডুমুর-পোড়াকাটলা সংযোগ সড়কে সম্প্রতি কার্পেটিংয়ের কাজ শুরু হয়। তবে বিদ্যুতের একটি খুঁটি রাস্তার মাঝে রেখেই কার্পেটিং করা হলে সমালোচনা শুরু হয়। এ সময় ফান্ড না থাকার কারণে এলজিইডি কর্তৃপক্ষ উক্ত খুঁটি অপসারণের বিষয়টি উপেক্ষা করে। একইভাবে স্থানীয়দের কোন অভিযোগ না থাকার পাশাপাশি বাজেটগত সমস্যার দরুন পল্লী বিদ্যুৎ বিভাগও বিষয়টি এড়িয়ে যায়। পরবর্তীতে সাধারণ মানুষের মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পেরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার দুই পক্ষকে নিয়ে খুঁটি অপসারণের উদ্যোগ নেন।
পোড়াকাটলা গ্রামের নীলকান্ত রপ্তান জানান, সড়ক নির্মানের দায়িত্বে থাকা এলজিইডি ও পল্লী বিদ্যুৎ বিভাগ বিষয়টি এড়িয়ে গিয়েছিল। তবে নির্বাহী অফিসারের ত্বরিৎ হস্তক্ষেপে এখন রাস্তা সম্পূর্ণ চলাচলের উপযোগী হবে।
নীলডুমুর গ্রামের আব্দুল খালেক বলেন, রাস্তার মধ্যে খুঁটি থাকায় তার কার্পেটিং নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। তবে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের পদক্ষেপে এখন এলাকার মানুষ রাস্তা দিয়ে যানবাহন চলাচলেরও সুযোগ পাবে। এছাড়া খুঁটি অপসারিত হওয়ায় দুর্ঘটনার শঙ্কা কমলো বলেও দাবি করেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামসুজ্জাহান কনক জানান, বিষয়টি জানতে পেরে পল্লী বিদ্যুৎ এবং এলজিইডি কতৃপক্ষকে বিষয়টি নিরসনে যাবতীয় কার্যক্রম সম্পন্নের জন্য বলেছিলেন। তবে চিঠি তৈরী এবং সংশ্লিষ্ঠ দপ্তরে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে কিছুটা দেরি হয়েছিল।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









