ভোলার মনপুরায় স্ত্রীকে দিয়ে যৌন ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগে স্বামী-স্ত্রীকে আটক করে পুলিশে দিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে ২৬ পিস ইয়াবা উদ্ধারের কথা জানিয়েছে পুলিশ। তবে ঘটনাস্থলে থাকা দুই কথিত খদ্দের ও মোটরসাইকেলচালক পালিয়ে গেছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
শুক্রবার (তারিখ উল্লেখযোগ্য) রাত ৯টার দিকে উপজেলার হাজিরহাট ইউনিয়নের পুরোনো হাসপাতাল এলাকার স্লুইসগেটসংলগ্ন ঝোপ থেকে তাঁদের আটক করা হয়। পরে স্থানীয়রা তাঁদের পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন।
আটক স্বামীর নাম মিজান। তিনি উপজেলার ৩ নম্বর উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। এলাকায় তিনি ‘জাটকি মিজান’ নামে পরিচিত। তাঁর স্ত্রীর নাম পরিচয় গোপন রাখতে ছদ্মনাম ‘রাণি বেগম’ ব্যবহার করা হয়েছে। তিনি ৪ নম্বর দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার আগে উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের বাংলাবাজার এলাকা থেকে মোটরসাইকেলচালক মাজেদের সহায়তায় স্ত্রীকে নিয়ে হাজিরহাট ইউনিয়নের পুরোনো হাসপাতাল এলাকার স্লুইসগেটসংলগ্ন বেড়িবাঁধে যান মিজান। অভিযোগ রয়েছে, মাজেদের মধ্যস্থতায় দুই ব্যক্তির সঙ্গে যৌনকর্মের জন্য পাঁচ হাজার টাকায় চুক্তি করেন তিনি। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা বিষয়টি টের পেলে স্বামী-স্ত্রী ঝোপে লুকিয়ে পড়েন। একপর্যায়ে স্থানীয়রা তাঁদের আটক করে পুলিশে দেন। এ সময় মোটরসাইকেলচালক মাজেদ ও দুই কথিত খদ্দের পালিয়ে যান।
স্থানীয়দের দাবি, আটকের পর ওই নারীর কাছ থেকে ২৬ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। তবে ইয়াবাগুলো নিজেদের নয় বলে দাবি করেছেন আটক স্বামী-স্ত্রী। তাঁদের ভাষ্য, অভাবের কারণে তাঁরা এ কাজে জড়িয়েছেন। মোটরসাইকেলচালক মাজেদ ইয়াবাগুলো তাঁদের কাছে রেখে পালিয়ে গেছেন।
মনপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজাহারুল ইসলাম জানান, আটক স্বামী-স্ত্রীকে আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতে পাঠানো হয়েছে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









