নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের (নাসিক) নবনিযুক্ত প্রশাসক অ্যাড. সাখাওয়াত হোসেন খান বলেছেন, ‘সাবেক কাউন্সিলরদের নিয়ে বসব এবং তাদের এই সিটি কর্পোরেশনের কাজে লাগাব। প্রতিটি ঘরে ঘরে, মহল্লায় মহল্লায় আমাদের দলীয় লোক আছে। তবে এখন দল নয় বিরোধী দলসহ সবাইকে নিয়ে আমি সমান আচরণ করতে চাই। আমরা সবার প্রতি সমান আচরণ করব এবং সুষম উন্নয়নের মাধ্যমে নারায়ণগঞ্জের পরিবর্তন ঘটাব।’
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) প্রশাসকের দায়িত্ব নেওয়ার পর নগর ভবনে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি। এসময় দলীয় নেতাকর্মী ও সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত হন তিনি।
সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘আপনারা যদি আমার কোনো ত্রুটি পান, আগে আমাকে জানাবেন। আমি তা সমাধানের চেষ্টা করব। আমি চাই নাগরিকদের সেবা দিতে। আমি এটাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিলাম এবং আমাদের সফল হতেই হবে। সফলতার কোনো বিকল্প নেই। যদি আমি সফল না হই, তাহলে আমাদের প্রধানমন্ত্রী সফল হবেন না, আমাদের এমপি সাহেবরা সফল হবেন না।’
তিনি আরো বলেন, ‘বর্তমানে সিটির নাগরিক সমাজ অত্যন্ত দুরবস্থায় আছে। এই দুরবস্থা থেকে আমরা রক্ষা করব। যে সমস্যাগুলো আছে, সেগুলোর জন্য ৬০ দিনের কর্মসূচি হাতে নেব এবং সেই কর্মসূচির মাধ্যমে নূন্যতম সমস্যাগুলো সমাধান করব। আমি এটাকে পবিত্র দায়িত্ব হিসেবে মনে করি এবং নগরবাসীর সকলের সহযোগিতা চাই।’
প্রশাসক বলেন, ‘আমাদের প্রথম কাজ হবে মশা নিধন, কারণ সামনে বৃষ্টির মৌসুম আসছে। এই মৌসুমে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার প্রকোপ দেখা দেয়। সেখান থেকে মানুষকে বাঁচাতে আমরা মশা নিধন করব, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করব এবং ভাঙাচোরা রাস্তাঘাট সংস্কার করব।’
তিনি আরো বলেন, ‘হকার সমস্যা এবং অটোরিকশা ও অন্যান্য যানবাহনের যানজট বাংলাদেশের মধ্যে সবচেয়ে চরমভাবে দেখা যায় নারায়ণগঞ্জে। আমরা এটি চিহ্নিত করেছি। হকাররাও আমাদের নাগরিক। তাদের নিয়ে বসে আলোচনা করব কীভাবে সমস্যার সমাধান করা যায়। অটোরিকশা ও যানবাহনের জন্য একটি নির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন করব।’
প্রশাসক অ্যাড. সাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, ‘সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো ধুলাবালি। শহরের ধুলাবালিতে মানুষ অসুস্থ হয়ে যাচ্ছে। এই ধুলাবালি পরিষ্কার করে শহরকে অন্তত কিছুটা ক্লিন সিটি হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করব। পাশাপাশি গ্রীন সিটি গড়তে গাছ লাগাব।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









