নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে রমজান মাসে নতুন সময়সূচি অনুযায়ী সকাল ৯টার মধ্যে অফিসে উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের কর্মচারীরা নির্ধারিত সময়ে অফিসে উপস্থিত হচ্ছেন না, অভিযোগ উঠেছে স্থানীয়দের মধ্যে।
রোববার (১৫ মার্চ) সকাল ৯টার দিকে কার্যালয়ের সামনে অবস্থানকালে দেখা যায়, সকাল ৯টা ২৪ মিনিট পর্যন্ত অফিসে তালা ঝুলছিল। সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে পরিবার পরিকল্পনার ক্লিনিক্যাল সাইডের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক রবিউল ইসলাম উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা সহকারী (প্রাক্তন টিএফপিএ) মাসুম রেজাকে ফোন করেন। পরে তিনি ভ্যানচালক আব্দুর রাজ্জাককে অফিসের তালা খুলে দেওয়ার নির্দেশ দেন। পরে কার্যালয়ে প্রবেশ করে কাউকে পাওয়া যায়নি।
জানা গেছে, ওই কার্যালয়ে একজন উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা, তিনজন উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা সহকারী (প্রাক্তন টিএফপিএ) এবং একজন অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক কর্মরত রয়েছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি বলেন, শুধু আজ নয়, এমন দৃশ্য পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ে নিত্যনৈমিত্তিক। সরকার নির্ধারিত সময়ে (সকাল ৯টা) উপস্থিতি নিশ্চিত করার নির্দেশ থাকলেও তা মানা হচ্ছে না।
তারা আরও বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী প্রতিদিন সকাল ৯টার আগেই তার দপ্তরে উপস্থিত হন। অথচ এখানকার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অফিসে আসেন খেয়ালখুশি মতো। তাদের যথাসময়ে না পাওয়ায় সাধারণ মানুষ সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এবং ভোগান্তি পোহাচ্ছেন। অবিলম্বে এ ধরনের সরকারি দায়িত্ব পালনে অবহেলাকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা।
এ ছাড়া এখানে কর্মরত উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা সহকারী (প্রাক্তন টিএফপিএ) আশিকুর রহমানের বিরুদ্ধে পূর্বে নীলফামারী উপপরিচালকের কার্যালয়ে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালনকালে সহকর্মীদের সঙ্গে ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণের অভিযোগ উঠেছে।
উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা জগন্নাথ রায় বলেন, “আমি জেলার পাশাপাশি কিশোরগঞ্জ উপজেলায় অতিরিক্ত পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করি। সেখানে সপ্তাহে দুই দিন দায়িত্ব পালন করি। সঠিক সময়ে অফিসে উপস্থিত না থাকার বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









