কুড়িগ্রামে গুলির পর আলী (২৫) নামে এক যুবককে ধরে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিএসএফের বিরুদ্ধে।
রোববার (১১ জানুয়ারি) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে রৌমারী উপজেলার সীমান্তে আন্তর্জাতিক সীমানা পিলার ১০৬২ এর নিকটবর্তী এলাকা খাটিয়ামারী সীমান্তে এ ঘটনা ঘটে। আটক যুবক আলী রৌমারী সদর ইউনিয়নের রতনপুর গ্রামের আব্দুস ছালামের ছেলে।
বিজিবি ও স্থানীয় সূত্র জানা গেছে, রোববার গভীর রাতে উপজেলার আন্তর্জাতিক সীমানা পিলার ১০৬২ এর নিকটবর্তী এলাকা খাটিয়ামারীতে ২০-২৫ জনের একটি চোরাকারবারি চক্র নো-ম্যান্সল্যান্ড পার হয়ে ভারত সীমান্তে চলে যায়। চোরাকারবারিরা ভারতের কাঁটাতারের ওপর দিয়ে ভারতীয় গরু, জিরা, মাদক, কাপড় পারাপার করছিল। এ সময় ভারতের কুচনীমারা ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্যরা চোরাকারবারিদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে এবং আলী নামের এক যুবককে ধরে নিয়ে যায়।
বিজিবির জামালপুর-৩৫ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসানুর রহমান বলেন, পরিবারের পক্ষ থেকে এখনও কেউ অভিযোগ করেনি। তবে আমরা বিভিন্ন মাধ্যমে শুনতে পারছি। এ বিষয়ে বিএসএফকে জানানো হলেও তারা এখনও উত্তর দেয়নি।
সীমান্তের স্থানীয় বাসিন্দাদের বরাত দিয়ে ইউপি সদস্য শফিকুল ইসলাম বলেন, সোমবার সকালে ৮-১০ জন বাংলাদেশি চোরাকারবারিরা সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়ার ওপর দিয়ে কম্বল পারাপার করছিল। এ সময় ভারতের আসাম রাজ্যের মানকারচর শাহপাড়া ক্যাম্পের বিএসএফের টহলরত সদস্যরা গেট খুলে তাদেরকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। গুলির শব্দে বাকিরা পালাতে পারলেও মিস্টার আলীকে ধরে ক্যাম্পে নিয়ে যায় বিএসএফ।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে জামালপুর ৩৫ বিজিবির অধীন মোল্লাচর বিজিবি ক্যাম্পের কোম্পানি কোমান্ডার ফখরউদ্দিন বলেন, বাংলাদেশি এক যুবককে ধরে নিয়ে গেছে শুনেছি। তবে আমার এরিয়া থেকে তাকে ধরে নিয়ে যায়নি। ওই ব্যক্তিকে ধরে নিয়ে গেছে ১০৬৩ নম্বর পিলার থেকে।
রৌমারী সদর বিজিবি ক্যাম্পের কোম্পানি কোমান্ডার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তিনি বলেন, গুলি ছুড়ে বাংলাদেশি কাউকে ধরে নিয়ে গেছে কি না আমাদের বিজিবির টহলরত সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা যাবে।
তবে এ বিষয়ে বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে বলে জানান তিনি।
কাওছার/এদিন


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









