বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩

The Daily Adin Logo
The Daily Adin Logo

ছোট ডিম, পঁচা কলা নিয়ে সমালোচনা, মানছেনা সিডিউলও

নেছারাবাদে স্কুল ফিডিং , শুরুতেই অনিয়মের অভিযোগ

প্রকাশিত: ৩১ মার্চ ২০২৬, ১০:০০ এএম

আপডেট: ৩১ মার্চ ২০২৬, ১০:০০ এএম

নেছারাবাদে স্কুল ফিডিং , শুরুতেই অনিয়মের অভিযোগ

পিরোজপুরের নেছারাবাদে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য চালু হওয়া স্কুল ফিডিং কর্মসূচি শুরুতেই অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নিম্নমানের কলা ও ৪০ থেকে ৪২ গ্রাম ওজনের ছোট ডিম বিতরণের ঘটনায় শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে “গ্রাম উন্নয়ন সংস্থা” নামে একটি বেসরকারি এনজিও উপজেলার ১৬৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।

গত রোববার(২৯ মার্চ) প্রথম দিনে প্যাকেটজাত বনরুটি ও ডিম দিয়ে কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। তবে অভিযোগ রয়েছে, অনেক বিদ্যালয়ে নির্ধারিত ৬০ গ্রাম সিদ্ধ ডিমের পরিবর্তে অতি ছোট আকারের মুরগির ডিম দেওয়া হয়েছে। পরদিন ৩০ মার্চ (সোমবার) খাবারের তালিকায় ১২০ গ্রাম বনরুটি ও ২০০ মিলিলিটার দুধ দেওয়ার কথা থাকলেও শিক্ষার্থীদের দেওয়া হয়েছে বনরুটি ও কলা। শিক্ষকদের অভিযোগ, সরবরাহকৃত কলার বড় অংশই ছিল পঁচা, আধাপাকা বা কালো দাগযুক্ত।

জানা গেছে, উপজেলার ১৬৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় ১৭ হাজার শিক্ষার্থীর জন্য সপ্তাহে পাঁচ দিন এই স্কুল ফিডিং কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। নির্ধারিত খাদ্যতালিকা অনুযায়ী রোববার, বুধবার ও বৃহস্পতিবার শিক্ষার্থীদের ১২০ গ্রাম বনরুটি ও ৬০ গ্রাম সিদ্ধ ডিম, সোমবার ১২০ গ্রাম বনরুটি ও ২০০ মিলিলিটার দুধ এবং মঙ্গলবার ৭৫গ্রাম ফোর্টিফায়েড বিস্কুট ও কলা বা মৌসুমি ফল দেওয়ার কথা রয়েছে।

কিন্তু বাস্তবে এই তালিকা অনুসরণ করা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।

উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা সীমা রানী হালদার বলেন, সরবরাহকৃত কলার মধ্যে বেশ কিছু কলা আধাপাকা ছিল এবং কিছু কলায় কালো দাগ ছিল। এছাড়া আগের দিন দেওয়া ডিমের মধ্যেও কিছু ডিম ছোট ছিল।

দক্ষিণ কামারকাঠি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অশোক কুমার দাস বলেন, আজকের তালিকায় রুটি ও দুধ দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তারা দুধ দিতে পারেনি। দুধ নাকি সাপ্লাই নেই। তাই শুধু রুটি দিয়েছে। বুধবারের জন্য নির্ধারিত কলা সোমবার দিয়ে গেছে।

স্কুল ফিডিং কার্যক্রম বাস্তবায়নকারী গ্রামীণ উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধি মো. ওয়াসি  বলেন, এত বড় একটি উপজেলায় এতগুলো স্কুলে একসঙ্গে খাবার সরবরাহ করা কিছুটা কঠিন। আমরা যেহেতু প্রথম দিকে কার্যক্রম শুরু করেছি, তাই কিছু ভুলভ্রান্তি হতে পারে। দূর থেকে কলা পরিবহন করার কারণে কিছু সমস্যা হয়েছে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা খন্দকার জসিম আহমদ বলেন, স্কুল ফিডিংয়ে খাদ্য তালিকায় দুধ থাকলেও এটা নিয়ে একটু সমস্যা আছে। তবে দুধের বদলে অন্য কিছু দেয়া হতে পারে। তিনি আরো বলেন, খাদ্য তালিকায় কোনো অনিয়ম হয়ে থাকলে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে এবং উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে।
 

কাওছার আল হাবীব/এদিন

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো. সাইদুল ইসলাম সাজু
নির্বাহী সম্পাদক: খন্দকার মোজাম্মেল হক

শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস ২৮/বি, টয়েনলি সার্কুলার রোড, মতিঝিল-১০০০, ঢাকা থেকে মুদ্রিত

যোগাযোগ করুন

টাওয়ার-এ (২য় তলা), হাউস-১৩, রোড-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩।

০২-২২৬৬০৩৩৫২

০১৮৯৭-৬৬৪৬৫৬

ইমেইল : dailyadinbd@gmail.com

আমাদের সোশ্যাল মিডিয়া

facebookyoutubetiktok

© স্বত্ব ২০২৬, দৈনিক এদিন

Design & Developed byBongosoft Ltd.