কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার মরিচা ইউনিয়নের মাজদিয়ার গ্রামে সন্ত্রাসী হামলায় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাসহ অন্তত ১০-১২ জনকে গুলি করে আহত করেছে।
সোমবার (২০ এপ্রিল) দিবাগত রাতে মাজদিয়ার মাদ্রাসাপাড়া গ্রামে এ হামলার ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে মরিচা ইনিউয়নের স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রবিউল ইসলাম ও নারীসহ বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
পুলিশ, স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাতে মাজদিয়ার মাদ্রাসাপাড়া গ্রামে বিদ্যুৎ যাওয়ার পর একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে রবিউল ইসলামের বাড়ির সদস্যদের ওপরেও নির্বিচারে গুলি চালায়।
হামলায় আহত গুলিবিদ্ধরা হলেন, মাজদিয়ার গ্রামের হাফেজ প্রামাণিকের ছেলে ও ৪নং মরিচা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রবিউল ইসলাম। একই গ্রামের সাহাজ প্রামাণিকের ছেলে কামু, কটা প্রামাণিকের ছেলে রানা, জাকায়াত প্রামাণিকের ছেলে হাফেজ প্রামাণিক, রানার স্ত্রী তমা খাতুন, রুমনের স্ত্রী রুনা, রাকিব ডাক্তারের স্ত্রী মুন্নী। হামলার পর স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। তবে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করে।
স্থানীয়রা এই হামলার সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
মেহেদী হাসান বলেন, “রাতে কারেন্ট চলে যাওয়ার পরপরই হঠাৎ করে একদল অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী আতঙ্ক সৃষ্টি করে আমাদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। তারা আমাদের পরিবারের নারী-পুরুষ সবাইকে নির্বিচারে আঘাত করে পালিয়ে যায়। এতে প্রায় ১০-১২ জন আহত হয়েছেন।”
এ ব্যাপারে দৌলতপুর থানার এস আই সৈকত বিশ্বাস জানান, রাতে মরিচাতে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে, তবে বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে। বেশ কয়েকজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। সবাই চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছে। বিষয়টি তদন্তাধীন অবস্থায় রয়েছে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









