দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, ‘‘সুনামগঞ্জে সাম্প্রতিক অতিবৃষ্টির কারণে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের হাতে প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তা তুলে দিতে হবে। তালিকা তৈরির কাজ চলমান রয়েছে।’’
মঙ্গলবার (৫ মে) সকালে সুনামগঞ্জ সার্কিট হাউস মিলনায়তনে জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সাথে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ত্রাণমন্ত্রী জানান, হাওর বিপর্যয়ের খবর শুনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খুবই উদ্বিগ্ন ছিলেন। এই জন্য আমাদের চারজনকে পাঠিয়েছেন প্রকৃত চিত্র জানাতে। অতীতে কোন দুর্যোগে সুনামগঞ্জে এত বড় টিম এসেছে কি না আমার জানা নেই। আমরা জনগণের সরকার, জনগণের কাছে আমাদের জবাবদিহিতা আছে বলেই ছুটে এসেছি।
মৎস্য প্রাণী সম্পদ ও কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিনুর রশিদ ইয়াসীন বলেন, ‘‘কৃষকদের শক্তিশালী করলে অর্থনীতি শক্তিশালী হবে। কৃষকদের প্রশ্নে, কৃষির প্রশ্নে এই সরকার আন্তরিক। দেশের শতকরা ৯০ ভাগ মানুষ কৃষির সাথে জড়িত।’’
তিনি বলেন, ‘‘প্রাকৃতিক এই বিপর্যয়গুলো অতীতেও ছিল বর্তমানে আছে। যুগে যুগে টেকনোলজি উন্নত হচ্ছে তাই আমরা বিশ্বাস করি এর সমাধান ও করা যাবে। আগামীতে যাতে দুর্যোগ না আসে সে লক্ষ্যে কাজ করতে হবে।’’
প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, ‘‘আজকে দুটি বিষয় পরিষ্কার। প্রথমত, ক্ষতি কীভাবে নির্ধারিত হবে এবং সেই নির্ধারণের ভিত্তিতে পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। দ্বিতীয়ত, মধ্য মেয়াদি কীভাবে পরিকল্পনা নেয়া যায় যাতে করে এই সমস্যা বারবার না হয়।’’
সিলেট বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কমিশনার আশরাফুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসকের রুটিন দায়িত্ব প্রাপ্ত অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সমর কুমার পালের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য রাখেন সুনামগঞ্জ ৫ আসনের সংসদ সদস্য কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলন, সুনামগঞ্জ ৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম, সুনামগঞ্জ ১ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল, সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক মিজানুর রহমান চৌধুরী, সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আকবর আলী, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এডিশনাল পিপি এডভোকেট শেরেনুর আলী, সাংবাদিক পংকজ দে মাসুম হেলালসহ প্রমুখ।
পরে মন্ত্রীগণ জেলার বিশম্ভরপুর উপজেলার খরচার হাওরপারের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের হাতে মানবিক সহায়তা প্রদান করেন।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









