সিলেট-ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে ডুয়েল গেজ রেললাইন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সমীক্ষা চলছে বলে জানিয়েছেন রেল প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ।
শনিবার (৯ মে) দুপুরে সিলেট রেল স্টেশন পরিদর্শনে গিয়ে তিনি সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, “সিলেট-ঢাকা রেলপথে বর্তমানে তীব্র লোকোমোটিভ সংকট রয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে আধুনিক ৩০ সিরিজের ইঞ্জিনের পরিবর্তে পুরোনো ২৯ সিরিজের লোকোমোটিভ দিয়ে ট্রেন পরিচালনা করতে হচ্ছে। কোথাও ৩০ থেকে ৩৫টি লোকোমোটিভের প্রয়োজন হলেও সচল রয়েছে মাত্র ১৪ থেকে ১৫টি। বাকিগুলো মেরামত করে চালানো হচ্ছে।”
তিনি জানান, মিটারগেজ অঞ্চলে পর্যাপ্ত ইঞ্জিন না থাকায় ট্রেন পরিচালনায় বিঘ্ন ঘটছে। একক রেললাইন থাকার কারণে কোথাও দুর্ঘটনা বা ইঞ্জিন বিকল হলে পুরো শিডিউল বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। এসব সমস্যা সমাধানে সরকার কাজ করছে বলে জানান তিনি।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, “বাংলাদেশের রেলকে লাভজনক ও আধুনিক করতে যাত্রীসেবার পাশাপাশি পণ্য পরিবহন ব্যবস্থার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।” সেবার মান বাড়াতে নতুন ইঞ্জিন ও কোচ সংযোজন জরুরি বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
রেল কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “শুধু ঢাকায় বসে নির্দেশনা দিলেই হবে না; সংশ্লিষ্ট জোনে গিয়ে সরাসরি সেবার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে হবে।”
দায়িত্বে অবহেলা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন প্রতিমন্ত্রী। মাঠপর্যায়ে তদারকি আরও জোরদার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
রেলের বেদখল জমি উদ্ধার প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “সরকারের অবস্থান এ বিষয়ে কঠোর।অবৈধ দখল উচ্ছেদে এরইমধ্যে মাঠ পর্যায়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।”
নতুন লোকোমোটিভ যুক্ত হলে ভবিষ্যতে রেলসেবার পরিধি আরও বাড়ানো সম্ভব হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
এরআগে, শনিবার ভোরে রেলযোগে সিলেটে পৌঁছান প্রতিমন্ত্রী। দিনব্যাপী তিনি সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর, বিআরটিসি, বিআরটিএ ও রেলওয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়সহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। এরপর রাত সাড়ে ৯টার ট্রেনে তার ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









