গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার রাউতকোনা গ্রামে স্ত্রী-সন্তানসহ পাঁচজনকে হত্যার ঘটনায় নতুন তথ্য সামনে এসেছে। নিহতদের স্বজনদের দাবি, শ্যালক রসুল মিয়াকে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে বাসায় ডেকে এনে হত্যা করা হয়েছে।
স্বজনরা জানান, নিহত রসুলের বোন শারমিনের স্বামী ফোরকান মিয়া শুক্রবার (৮ মে) বিকেলে রসুলকে ফোন করে জানান, একটি চাকরির ব্যবস্থা হয়েছে এবং বেতন ধরা হয়েছে ১৯ হাজার ৫০০ টাকা। সেই আশায় সন্ধ্যায় ফোরকানের বাসায় যান রসুল।
নিহতদের স্বজন শাহিন বলেন, “আমার ভাইকে পরিকল্পিতভাবে ডেকে নেওয়া হয়েছে। চাকরির কথা বলে এনে তাকেও হত্যা করেছে। আমরা এমন নির্মম ঘটনা কখনও দেখিনি।”
স্বজনদের দাবি, রাত ৮টা পর্যন্ত নিহতদের মোবাইল ফোন সচল ছিল। এরপর সবার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। শনিবার (৯ মে) সকালে তারা জানতে পারেন, শারমিন, তার তিন সন্তান ও রসুলকে হত্যা করা হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা বাচ্চু মিয়া বলেন, “আজ সকালে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি রক্তাক্ত লাশ পড়ে আছে। তিনটি শিশু সন্তানকেও হত্যা করা হয়েছে। পুরো এলাকা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে।”
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পর থেকেই ফোরকান মিয়া নিখোঁজ রয়েছেন। তার মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, হত্যাকাণ্ডের পর তিনি পালিয়ে গেছেন।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









