গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার রাউতকোনা গ্রামে একই পরিবারের পাঁচ সদস্য হত্যার ঘটনায় দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ।
শনিবার (৯ মে) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন গাজীপুরের জেলা পুলিশ সুপার মো. শরিফ উদ্দিন।
আটককৃতরা ফোরকানের গাড়ি ব্যবসার সঙ্গে জড়িত, তবে তদন্তের স্বার্থে তাদের নাম-পরিচয় প্রকাশ করেনি পুলিশ।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে। ঘটনার পর থেকেই ফোরকান মিয়া নিখোঁজ রয়েছেন। ফলে তাকে প্রধান সন্দেহভাজন হিসেবে বিবেচনা করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
পুলিশ সুপার মো. শরিফ উদ্দিন বলেন, “মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। একই সঙ্গে পলাতক ফোরকান মিয়াকে গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক দল অভিযান চালাচ্ছে।”
এরআগে, শনিবার সকালে বাড়ির ভেতর থেকে পাঁচজনের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থলের বর্ণনা দিতে গিয়ে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শিশু তিনটির মরদেহ ঘরের মেঝেতে পাশাপাশি পড়ে ছিল। রসুল মিয়ার মরদেহ পাওয়া যায় বিছানার ওপর, আর শারমিনের হাত ও মুখ বাঁধা অবস্থায় মরদেহ পড়ে ছিল জানালার পাশে।
নিহতরা হলেন প্রাইভেটকার চালক ফোরকান মিয়ার স্ত্রী শারমিন (৩০), তাদের তিন মেয়ে মীম (১৫), মারিয়া (৮), ফারিহা (২) এবং শারমিনের ছোট ভাই রসুল মিয়া (২২)। তারা প্রবাসী মনির হোসেনের বাড়িতে ভাড়া থাকতেন।
বাড়ির মালিক শাহিনুর আলম জানান, প্রায় এক বছর আগে ফোরকান মিয়া ওই বাড়িটি ভাড়া নেন। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই পারিবারিক কলহ হতো। সেই বিরোধ থেকেই হত্যাকাণ্ডের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









