নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে স্থানীয় সালিসি বৈঠকে দুই গ্রুপের মধ্যে ব্যাপক ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষ চলাকালে উভয় পক্ষ একে অপরের বাড়িঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।
সোমবার (১১ মে) দুপুরে উপজেলার কায়েতপাড়া ইউনিয়নের বরুনা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১০ দিন আগে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা সাইড দেওয়া নিয়ে আমিন হোসেনের সঙ্গে বিল্লাল হোসেন খাঁর তর্ক-বিতর্ক ও ঝগড়া হয়। ওই ঘটনায় বিল্লাল হোসেন রূপগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছিলেন।
পূর্ব নির্ধারিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আজ সোমবার দুপুরে বরুনা এলাকায় বিষয়টি মীমাংসার জন্য বিচার সালিশের আয়োজন করা হয়। সালিশে রফিকুল ইসলাম ও বিল্লাল হোসেন খাঁ নিজ নিজ অনুসারীদের নিয়ে উপস্থিত হন। বিচার চলাকালীন উভয় পক্ষ বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়লে একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এসময় এলাকায় বেশ কয়েক রাউন্ড গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্কের সৃষ্টি করে।
সংঘর্ষ চলাকালে হামলাকারীরা একে অপরের বাড়িঘর ও ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানে ঢুকে আসবাবপত্র ভাঙচুর ও মালামাল লুটপাট করে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএইচএম সালাউদ্দিন জানান, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









