হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করেছে পরিবহন মালিক শ্রমিকরা।
শনিবার (১৬ মে) দুপুরে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ককের হবিগঞ্জের শায়েস্তানগঞ্জে মহাসড়কে বাস দিয়ে ব্যারিকেড দেয় শ্রমিকরা। এ সময় রাস্তার দু দিকে কয়েক শতাধিক গাড়ি আটকা পড়ে। ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা।
শ্রমিকরা জানায়, ৫২ বছর ধরে হবিগঞ্জ-সিলেট ভায়া মৌলভীবাজার রোডে হবিগঞ্জ-সিলেট বিরতিহীন পরিবহনের বাস চলাচল করছে। সম্প্রতি মৌলভীবাজারের একটি পক্ষ তাদের বাস চলাচলে বাধা দিয়ে আসছে। গত ১০ মে মৌলভীবাজারে বিরতিহীন বাস আটকে শ্রমিকদের মারধর করে।
এর প্রতিবাদে ১২ মে সিলেটসহ জেলার অভ্যন্তরীণ সকল রোডে বাস চলাচল বন্ধ করে দেয় হবিগঞ্জ মটর মালিক গ্রুপ। হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজারের প্রশাসন কয়েক দফা বৈঠক করেও কোনো সমাধান হয়নি। শেষ পর্যন্ত হুইপ ও হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব জি কে গউছের নির্দেশে গতকাল শুক্রবার সিলেট বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে বৈঠকে বসেন হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজারের বাস মালিক আর শ্রমিকদের নিয়ে।
কিন্তু দুই পক্ষকে নিয়ে গভীর রাত পর্যন্ত চলা এ বৈঠক কোন ঐকমত্য ছাড়াই শেষ হয়। আজ শনিবার হবিগঞ্জ প্রশাসনের আশ্বাসে বাস চালু করা হলেও মৌলভীবাজারে বাসসহ শ্রমিকদের আটকিয়ে মারধর করা হয়।
এর প্রতিবাদে আজ দুুপুরে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ককের হবিগঞ্জের শায়েস্তানগঞ্জে অবরোধ করে শ্রমিকরা। দুপুর আড়াইটার দিকে প্রশাসনের আশ্বাসে আবারও অবরোধ প্রত্যাহার করা হয়। দ্রুত সমস্যার সমাধান না হলে আবারও আন্দোলনের হুঁশিয়ার দেন শ্রমিকরা।
এ ব্যাপারে হবিগঞ্জ মটর মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক সোহেল চৌধুরী বলেন, ‘‘হবিগঞ্জ প্রশাসনের আশ্বাসের আজ বাস চালু করা হয়েছিল। কিন্তু বাস মৌলভীবাজারে পৌঁছামাত্র বাস আটকিয়ে রেখে মারধর করে। এই খবর হবিগঞ্জের শ্রমিকদের কাছে পোঁছলে তারা ঢাকা সিলেট মহাসড়কের শায়েস্তাগঞ্জে মহাসড়ক অবরোধ করেন।’’


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









