এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় এবার জিপিএ–৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। এ বছর ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৬৪.০৫ শতাংশ। যা গত বছর ছিলো ৬৮ দশমিক ০৪ শতাংশ। অর্থাৎ পাসের হার ৩ দশমিক ৯৯ শতাংশ কমেছে।
২০২৫ সালের তুলনায় এবার সর্বোচ্চ গ্রেড পয়েন্ট পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৯৭৬ জনে। এর মধ্যে ৫২ হাজার ৭৮০ জন ছাত্র এবং ৬৩ হাজার ৮৯৬ জন ছাত্রী।
অর্থাৎ, এবার জিপিএ–৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্রের তুলনায় ১১ হাজার ১১৬ জন বেশি ছাত্রী রয়েছে। গত বছর যেখানে ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন শিক্ষার্থী জিপিএ–৫ পেয়েছিল, এবার সেই সংখ্যা কমেছে ২২ হাজার ৫৬ জন।
সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশের উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এ সময় দেশের সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান শিক্ষামন্ত্রীর কাছে পরীক্ষার ফল হস্তান্তর করেন।
ফল প্রকাশের পর থেকে মোবাইল ফোনের এসএমএসসহ তিন মাধ্যমে ফলাফল দেখতে পারছেন শিক্ষার্থীরা।
এবার জিপিএ–৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৯৭৬ জন শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে ৫২ হাজার ৭৮০ জন ছাত্র এবং ৬৩ হাজার ৮৯৬ জন ছাত্রী। অর্থাৎ, ছাত্রের তুলনায় ১১ হাজার ১১৬ জন বেশি ছাত্রী জিপিএ–৫ পেয়েছে।
গত বছর ২০২৫ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ–৫ পেয়েছিল ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে ছাত্রী ছিল ৭৩ হাজার ৬১৬ জন এবং ছাত্র ৬৫ হাজার ৪১৬ জন। সে হিসাবে গত বছরের তুলনায় এবার জিপিএ–৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ২২ হাজার ৫৬ জন।
শুধু মোট সংখ্যায় নয়, ছাত্র ও ছাত্রী—উভয় ক্ষেত্রেই এবার জিপিএ–৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে। গত বছর ৬৫ হাজার ৪১৬ জন ছাত্র জিপিএ–৫ পেলেও এবার পেয়েছে ৫২ হাজার ৭৮০ জন। অর্থাৎ ছাত্রদের মধ্যে জিপিএ–৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ১২ হাজার ৬৩৬ জন। অন্যদিকে, গত বছর ৭৩ হাজার ৬১৬ জন ছাত্রী জিপিএ–৫ পেয়েছিল। এবার পেয়েছে ৬৩ হাজার ৮৯৬ জন। অর্থাৎ ছাত্রীদের মধ্যে কমেছে ৯ হাজার ৭২০ জন।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









