রবিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৬, ২১ চৈত্র ১৪৩২

The Daily Adin Logo
The Daily Adin Logo

স্মৃতিময় স্কুল

ফরিদুর রেজা সাগর

প্রকাশিত: ০৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:১০ পিএম

আপডেট: ০৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:১০ পিএম

স্মৃতিময় স্কুল

আমার দুই মেয়ে মেঘনা আর মোহনা। ওরা ঢাকার হলিক্রস স্কুল এন্ড কলেজ থেকে এসএসসি ও এইচএসসি পাস করেছে। অর্থাৎ ওদের স্কুল জীবন, কলেজ জীবন একই প্রতিষ্ঠানে। স্কুলে পড়ার মাঝামাঝি সময়ে যখন তারা থ্রি বা ফোরে পড়ে তখন কনা মনে করলো তাদেরকে আর এখানে পড়াবে না। মেয়েদেরকে অন্য স্কুলে মানে স্কলাসটিকায় পড়াবে। কনা প্রায় জোর করেই নিয়ে গেল সেই স্কলাসটিকায়। ব্যবস্থাও করে ফেললো।  যে স্কুলে ভর্তি করা আসলেই কঠিন। এ ব্যাপারে আমাকে একদমই কিছুই জানায়নি।  কিন্তু বাধ সাধলো মেয়েরা নিজেই। তারা স্কুলে দুদিন গিয়েই বলল আমরা এই স্কুলে পড়ব না। কনা বলল, কেন? তারা বলল এটা কোনো স্কুল হলো? এখানে খেলার  কোনো মাঠ নেই। আমরা ওখানে মানে হলিক্রসে এক বিল্ডিং থেকে আরেক বিল্ডিং এ যেতে পারব। পরের ক্লাসে আমরা আপুদের ক্লাসে বসতে পারবো। কিন্তু এখন যেখানে ভর্তি করেছ শুনেছি এই স্কুলটা উত্তরা চলে যাবে। এরকম স্কুলে পড়তে আমাদের ভালো লাগবে না। মেয়েরা একরকম জোর করেই  স্কলাসটিকা স্কুল থেকে  ফিরে এলো হলিক্রস স্কুলে। স্কুল জীনটা অনেকটা এমনই। স্মৃতিতে তো থাকেই তাছাড়া স্কুলের প্রতি যে ভালোবাসা সেটা কখনো ভোলা যায় না। আমার মেয়ে মোহনার এসএসসি পরীক্ষার সিট পড়েছিল আমার স্কুলে মানে তেজগাঁও পলিটেকনিক স্কুলে। অভিভাবক হিসেবে পরীক্ষার আগেরদিন গেলাম সিট কোথায় পড়েছে দেখার জন্য। মোহনার সিট খোঁজার চেয়ে আমি স্মৃতি রোমন্থন করতে লাগলাম। অনেকদিন পর নিজের স্কুলে। আহা কী আনন্দ। এখানে আমাদের হেডস্যার বসতেন ওখানে মোখলেস ভাই বসে থাকতেন। আমার টীচাররা এই করিডোর দিয়ে হেঁটে আসতেন। টিচারদের আসতে দেখে আমরা দৌড়ে ক্লাসে যেতাম। মোহনাকে নিয়ে গেলাম কোথায় আমাদের ক্লাস হতো দেখানোর জন্য।  

মোহনা একটু বিরক্ত হলো। নিজের স্কুল দেখতে আসো না কোনোদিন আজ মেয়ের পরীক্ষার সিট পড়াতে দেখতে এসে তোমার সব স্মৃতি মনে পড়ছে? 

স্কুল জীবনটা তো এমনই বৈচিত্র্যময়। স্কুলে যখন পড়তাম একপাশে ছিল ইন্টারমিডিয়েট টেকনিক্যাল কলেজ একটু দূরে ছিল ঢাকা কলেজ। স্কুলে পড়ার সময় আমার সৌভাগ্য হয়েছিল কলেজের ক্লাস রুমে গিয়ে বসার। এর দুটো কারণ ছিল। প্রথম কারণ হলো টেকনিক্যাল কলেজের শিক্ষক ছিলেন অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। তখন তিনি জনপ্রিয় টেলিভিশন উপস্থাপক। আমরা যখন মাঠে ফুটবল বা ক্রিকেট খেলতাম স্যার তখন ব্যাগ কাঁধে নিয়ে পায়জামা পাঞ্জাবি পরে মাঠের ভেতরের শর্টকাট রাস্তা দিয়ে বাসায় যেতেন। টেলিভিশন এর উপস্থাপক তখন একটা বিশাল ব্যাপার। তখন জানতে পারি স্যার টেকনিক্যাল কলেজের শিক্ষক। তখনই স্বপ্ন আহারে যদি ওই কলেজে পড়তাম! মাঝেমধ্যে ওই কলেজে গিয়ে স্যারকে দেখতাম। সুযোগটা এলো আরো পরে।  স্যার তখন ঢাকা কলেজে একটা ক্লাস নিতেন বিভিন্ন বিষয়ের ওপর। আমরা বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থীদের অনেকেই  সেখানে যেতাম। সেখানেই জীবনের প্রথম মুস্তাফা মনোয়ারকে দেখি। স্যারের সাথে কথা হয়। বেশ কিছুদিন আমি কলেজের ক্লাসরুমে বসে ক্লাস করেছি। নানান বিষয়ে স্যারদের কথা শুনেছি। স্কুল জীবনে শিক্ষক ছিলেন পরবর্তী জীবনে অনেক কিছু বা পরবর্তী জীবনেও তাদের সঙ্গে দেখা হয়েছে এই স্মৃতিটাও কিন্তু একটা দারুণ ব্যাপার। এই মুহূর্তে বাংলাদেশের একজন স্বনামখ্যাত বিচারপতি আব্দুর রউফ। তিনি একসময় আমার শিক্ষক ছিলেন। কয়েকদিন আগে তিনি টেলিফোন করেছিলেন। আমি বললাম, আমি আপনার ছাত্র ছিলাম।

তিনি বললেন, আমি জানি তো তুমি আমার ছাত্র ছিলে। 

কত বছর আগের কথা তবুও তিনি মনে রেখেছেন স্যারের সেই স্নেহভরা কণ্ঠ আমাকে নিয়ে গিয়েছিল সেই শৈশবে স্কুলের স্মৃতিতে। আজিজুর রহমান আজিজ। বিখ্যাত গীতিকার এবং সরকারি আমলা ছিলেন। তার সঙ্গে অনেক স্মৃতি। স্কুল জীবনে তো বটেই পরবর্তী জীবনে এসে কাজের কারণে অনেকবার তার সঙ্গে দেখা হয়েছে।  যতবারই দেখা হয়েছে স্যার বলে সম্মান করেছি, পায়ে হাত দিয়ে সালাম করেছি। স্যারও সবসময় আমাদের বন্ধুদের কথা জিজ্ঞেস করতেন। অনেকের নাম স্যারের মুখস্থ ছিল। নাম ধরে ধরে স্যার সবার কথা জিজ্ঞেস করতেন- কে কোথায় আছে, কি করছে, খবর নিতেন। বদরুল আলম, শ্যামল, এহসান মাহমুদ, মাহবুব, শামীম, ইয়াকুব, পিন্টু, ছন্দা, মখদুম, সেলিম, আজাদ, বাবলু, জাফর, ইকবাল,  শরীফ, মনজু-এরকম অনেক নাম। কি হলো তাদের। কেমন আছে তারা।

স্যার অনেকবার বলেছেন, একদিন ডাকো সবাইকে। একটু চা খাই, গল্প করি। 

আরেকজন স্যার ছিলেন, ঢাকার মাঠের বিখ্যাত রেফারি নাম মনির হোসেন। তিনি আমাদের বিল্ড টীচার ছিলেন কিন্তু মাঝেমধ্যে ইংরেজি ক্লাস নিতেন।  স্যারের হাতে বেত থাকত আমরা প্রচন্ড  ভয় পেতাম। ফিল্ড টীচার হিসেবে তো বটেই কারণ নিয়মিত পিটি করতে হতো। ফুটবল খেলতে হতো। স্যার ফুটবল অত্যন্ত ভালোবাসতেন। একটি কথা ইতিহাসে রয়েছে যে তেজগাঁও পলিটেকনিক স্কুল থেকে যে পরিমাণ ফুটবল খেলোয়াড় ঢাকা লীগে খেলেছে তারা সম্মানের সঙ্গে খেলেছেন, আর সেটা সম্ভব হয়েছে মনির হোসেন স্যারের জন্য। আরও একজন শিক্ষক ননী গোপাল দত্ত। যিনি চিত্র নায়িকা শবনম এর পিতা। তিনিও আমাদের শিক্ষক ছিলেন। ননী গোপাল দত্ত স্যারও ফুটবলকে ভালোবাসতেন। তার কাছ থেকেও অনেকে ফুটবল খেলা শিখেছে। আমার যতদূর মনে পড়ে তিনিও ঢাকার মাঠে রেফারি ছিলেন। একবার এক জায়গায় গিয়েছি সম্ভবত বইমেলা।  আমরা স্কুল থেকে স্কাউট হিসেবে যেতাম বইমেলায় ভলেন্টিয়ার হিসেবে কাজ করার জন্য। বইমেলা তখন হতো বাংলা একাডেমি মাঠে কিংবা পাবলিক লাইব্রেরি বা গ্রন্থকেন্দ্রে। বইমেলায় অনেক পুলিশ এলেন তাদের নেতৃত্ব যিনি দিচ্ছেন মনে হলো  তাকে আমি চিনি। যখন কাছে এলেন, বুকের নেমপ্লেটে দেখলাম জাহাঙ্গীর। আমার আর সন্দেহ থাকল না তিনিও আমাদের শিক্ষক। জাহাঙ্গীর স্যার অফিস রুমে বসতেন কিন্তু মাঝে মধ্যে আমাদের ক্লাসও নিতেন। বললাম, স্যার আপনি?

স্যার বললেন, তুমি? আমি বললাম, আমি একা নই, আমি, ইয়াকুব, আজাদ আরও অনেকেই আছি। আমরা স্কাউট থেকে এসেছি। স্যার আমাদের চা বিস্কুট খাওয়ালেন এবং বললেন, কীভাবে কি করতে হবে।

এতবছর পর এসেও মনে হয় না আমরা আলাদা হয়ে গেছি।  যে যেখানে থাকি দেখা হলেই জড়িয়ে ধরি। আমরা জীবনে যে যাই করি না কেন কখনো মনেই হয় না আমাদের কোনো পার্থক্য রয়েছে। স্কুল জীবনে দুই এক বছরের বড় যারা তারাও বন্ধুর মতো মেশে। যারা ছোট তারাও বন্ধুর মতো। স্কুল জীবনের স্মৃতিটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। স্মৃতি হয়ে থাকে এটা যেমন সত্য জীবনের একটা বড় অংশ এবং মহা মূল্যবান। যদিও স্কুলে থাকা অবস্থায় ভাবতাম কখন আমরা বড় হবো কলেজে যাবো, বিশ্ববিদ্যালয়ে যাবো। তারপরও যে যেখানেই থাকি না কেন স্কুল জীবনের মতো এত সুন্দর এবং মধুর হয় কিনা জানি না। আমার দুই নাতি নাতনি, মায়রা এবং মায়রন পড়ে দি আগা খান একাডেমিতে। তাদের স্কুলে আমি দু একবার গিয়েছি। মায়রা-মায়রন বড় হবে। তারাও হয়তো তাদের একদিন স্কুল নিয়ে স্মৃতিকথা লিখবে।  

দুই.
প্রিয় আওলাদ স্যার

আমাদের স্কুলে একজন বাংলা শিক্ষক ছিলেন। তিনি আমাদের বাংলা ক্লাস নিতেন। তার নাম আওলাদ হোসেন। খুব সুন্দর করে তিনি বাংলা পড়াতেন। বাংলার কঠিন কঠিন বিষয়গুলো বিশেষ করে তখন ব্যাকরণ নামে বাংলার একটি বিষয় ছিল। তিনি সেই ব্যাকরণকে খুব সহজ করে আমাদেরকে বুঝিয়ে দিতেন। তাই কঠিন ব্যাপারটা খুব সোজা হয়ে যেতো। প্রসঙ্গ উল্লেখপূর্বক ব্যাখ্যা করো এরকম বিষয় থাকতো। তিনি সাবলিলভাবে গল্পের মতো করে বুঝিয়ে দিতেন। বিশেষ করে রবীন্দ্রনাথ থাকলে তিনি আবেগপ্রবণ হয়ে যেতেন এবং রবীন্দ্রনাথকে সব লেখার সাথে মিলিয়ে তিনি ব্যাখ্যা করে বুঝিয়ে দিতেন রবীন্দ্রনাথের কোনো না কোনো লেখা তিনি পড়ে শোনাতেন। বাংলা বিষয়ে যা-ই থাকুক কি ব্যাকরণ, কিংবা কবিতা তিনি কিভাবে যেন রবীন্দ্রনাথকে বের করে আনতেন। আমাদের ভালোই লাগতো। তিনি গতানুগতিক পড়ার বাইরে আমাদেরকে বাইরের বই পড়াতেন। সবসময় তিনি সাদা পায়জামা-পাঞ্জাবি পরতেন। স্যার কখনো রেগে যেতেন না। কেউ পড়া না পারলে কাউকে বকা দিতেন না কয়েকটা কথা শুনিয়ে বলতেন, কাল পড়ে এসো। বুঝিয়ে দিতেন। এই স্যার একদিন একটা রচনা লিখতে দিলেন বাংলাদেশ সম্পর্কে। বললেন, যার রচনা ভালো হবে তাকে একটি পুরস্কার দেয়া হবে। আমরা বাংলাদেশ নিয়ে আমাদের সমস্ত আবেগ দিয়ে, ভালোবাসা দিয়ে রচনা লিখলাম। যেদিন জমা দেয়ার কথা সেদিন তিনি বললেন, আমি একটু আরও সহজ করে দিই। নিজের দেশ নিয়ে লেখা তোমরা সবাই নিজেদের মধ্যে একটু আলোচনা করে নাও।

আমরা বললাম, স্যার আমরা কে কি লিখেছি সেটা আপনাকে দেখাবো নাকি?

দেখাও কোনো অসুবিধে নেই। কিন্তু একই বিষয় নিজের দেশ বলে কথা প্রায় তো একই রকম লিখেছ। তোমরা নিজেরাও দেখ এখান থেকে সবচেয়ে ভালো লেখাটা আমাকে দেখাও। আমরা সেই বয়সেই হয়ে গেলাম বিচারক। সবার সঙ্গে কথা বললাম, প্রায় একই রকম লেখা। দেশ ছেড়ে কেউ কোথাও যাবে না।  বিদেশে লেখাপড়ার জন্য গেলেও ফিরে এসে দেশের সেবা করবে। কেউ লিখেছে ডাক্তার হয়ে গ্রামে চলে যাবে গরীব মানুষের সেবা করবে।  ইঞ্জিনিয়ার হয়ে  কেউ সৎ থাকবে। বড় বড় বিল্ডিং বানাবে। ন্যায্য মূল্যে জিনিস কিনবে যেন মানুষের অতিরিক্ত কোনো খরচ না হয়। রেলস্টেশন বানাবে। আমরা ছাত্ররা আলোচনা করে তিনজনের লেখাকে শ্রেষ্ঠ মনে করলাম। বললাম, স্যার আমরা এই তিনজনের কম আর নামাতে পারলাম না। আমাদের কাছে মনে হয়েছে বাংলাদেশ নিয়ে এই তিনজনই ভালো লিখেছে। 

স্যার বললেন, ঠিক আছে তিনটি লেখা পড়ে আমি কাল তোমাদের বলবো। ঘটনাক্রমে আমার লেখাকেই স্যার শ্রেষ্ঠ লেখা হিসেবে ঘোষণা করলেন। আমি তো মহাখুশি। পুরস্কার পেতে যাচ্ছি।  স্যার বললেন, ক্লাস শেষে বিকেলে টিচার্স রুমে এসো তোমার পুরস্কার দিয়ে দেবো। আমি তো আনন্দিত হয়ে আছি।  সবাই অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে কখন কি পুরস্কার পাচ্ছি। সবার ভেতর একটা উত্তেজনা। আমার ভেতর তো বটেই। ক্লাস শেষ করে গেলাম অফিস রুমে। স্যার বসে আছেন। আমি ভাবছি পুরস্কারটা কিভাবে নেবো। ব্যাগ ভরে নাকি!  কোথায় রাখবো এসব ভাবনা। সাথে আমার আরেকটা বন্ধুকে আনা প্রয়োজন ছিল।  

স্যার বললেন, এসো তোমার পুরস্কারটা নিয়ে যাও। 

হোমিওপ্যাথি ঔষধ যেভাবে পুরিয়া বানিয়ে দেয় ঠিক সেরকম একটি কাগজ স্যার আমাকে ধরিয়ে দিলেন। আমি বললাম, স্যার...। 

স্যার তখন বললেন, এটাই তোমার পুরস্কার বাড়িতে গিয়ে খুলে দেখো। আমার বিবর্ণ মুখের দিকে তখন বোধহয় তাকানো যাচ্ছিলো না। আমি সেই হোমিওপ্যাথি ঔষধের পুরিয়ার মতো কাগজটা নিয়ে বাসায় এলাম। খুব যত্নে কাগজের ভাজ খুলে পড়লাম।  আমি তো অবাক হলাম। মাত্র তিনটি শব্দ। এটা কেমন পুরস্কার হতে পারে! পরদিন ক্লাসে স্যার বললেন, কী পুরস্কার পেয়ে মন খারাপ হয়েছে? আমি কোনো উত্তর দেই না। এরই মধ্যে বন্ধুরা জিগ্যেস করছে কি পুরস্কার পেয়েছি। আমি কিছুই বলতে পাারছি না। আমার বিবর্ণ মুখ দেখে স্যার বললেন, শোনো তোমাকে যে কথাটি লিখে দিয়েছি, তোমার বয়সে যদি এই কথা কেউ আমাকে লিখে দিতেন তাহলে আমি এখানে থাকতাম না অনেক বড় শিক্ষক হতাম। তোমরা সবাই শোনো আমি ওকে কি পুরস্কার দিয়েছি। আমাকে উদ্দেশ্য করে বললেন, তোমাকে দেয়া সেই পুরস্কারটি কোথায়? দাও দেখি। 

আমি পকেট থেকে বের করে কাগজটি স্যারের হাতে দিলাম। তোমরা সবাই বাংলাদেশ নিয়ে ভালো লিখেছ আমি জেনেছি। তাই এই পুরস্কার ওর একার নয় তোমাদের সবার। আমি এখানে লিখেছি, ‘পড়ো আর পড়ো’। যদি তোমরা এই পড়াশোনাটা ঠিকমতো করতে পারো তাহলে দেখবে তোমাদের জীবন সহজ হয়ে গেছে। তোমাদের জীবন সুন্দর হয়ে গেছে। স্যারের সেই দুটো তিনটে শব্দ পড়ো এবং পড়ো। স্যারের এই কথাটা যারা অক্ষরে অক্ষরে পালন করেছে তারাই জীবনে বড় হয়েছে। জীবন আসলেই অনেক সুন্দর।

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো. সাইদুল ইসলাম সাজু
নির্বাহী সম্পাদক: খন্দকার মোজাম্মেল হক

শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস ২৮/বি, টয়েনলি সার্কুলার রোড, মতিঝিল-১০০০, ঢাকা থেকে মুদ্রিত

যোগাযোগ করুন

টাওয়ার-এ (২য় তলা), হাউস-১৩, রোড-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩।

০২-২২৬৬০৩৩৫২

০১৮৯৭-৬৬৪৬৫৬

ইমেইল : dailyadinbd@gmail.com

আমাদের সোশ্যাল মিডিয়া

facebookyoutubetiktok

© স্বত্ব ২০২৬, দৈনিক এদিন

Design & Developed byBongosoft Ltd.