জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজন নয়, বরং একেবারেই ঘরোয়া পরিবেশে জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করেছেন বলিউড তারকা আমির খান ও গৌরী স্প্র্যাট। তবে বিয়ের আয়োজন সাদামাটা হলেও কনের হাতে থাকা আংটিটি ছিল একেবারেই ব্যতিক্রমী। মাদাগাস্কার থেকে সংগ্রহ করা বিরল প্রাকৃতিক রুবি, ৪০টি হীরা এবং শতাধিক কারিগরের দীর্ঘ সময়ের নিখুঁত কারুকাজে তৈরি এই আংটি এখন আলোচনার কেন্দ্রে।
তিন মাসের অনুসন্ধানে মিলেছে বিরল রুবি
আংটির নকশাকার অমিত কুমারের তথ্য অনুযায়ী, উপযুক্ত মান, রং ও গুণগত বৈশিষ্ট্যের একটি রুবি খুঁজে পেতে তিন মাসেরও বেশি সময় লেগেছে। শেষ পর্যন্ত মাদাগাস্কার থেকে সংগ্রহ করা হয় কাঙ্ক্ষিত সেই বিরল রত্ন।
আংটির কেন্দ্রে বসানো হয়েছে একটি ক্যাবোশন-কাট প্রাকৃতিক রুবি। সাধারণ রুবির মতো এতে বিভিন্ন দিক থেকে আলোর ঝলক দেখা যায় না। বরং এর মসৃণ ও গম্বুজাকৃতির পৃষ্ঠ রত্নটির স্বাভাবিক সৌন্দর্যকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে। রুবিটির নিচে তৈরি করা হয়েছে সোনার তৈরি মুকুটের আদলের একটি বিশেষ কাঠামো, যা পুরো নকশায় যোগ করেছে রাজকীয় আবহ।
৪০ হীরা ও ১৩১ কারুশিল্পীর নিখুঁত কাজ
রুবির চারপাশে বসানো হয়েছে ৪০টি প্রাকৃতিক হীরা। পাশাপাশি ব্যবহার করা হয়েছে আরও কিছু মূল্যবান রত্ন। তবে আংটির সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো এর নির্মাণপ্রক্রিয়া প্রতিষ্ঠানটির দাবি, আংটিটি তৈরিতে অংশ নিয়েছেন ১৩১ জন দক্ষ কারুশিল্পী। সম্পূর্ণ হাতে তৈরি এই অনন্য অলংকারটি প্রস্তুত করতে সময় লেগেছে ২৫৬ ঘণ্টা। প্রতিটি অংশের সূক্ষ্ম কারুকাজ নিশ্চিত করতে নেওয়া হয়েছে বিশেষ যত্ন। নির্মাতাদের ভাষ্য, এটি শুধু একটি বিয়ের আংটি নয়; বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সংরক্ষণযোগ্য একটি পারিবারিক ঐতিহ্য হিসেবেই তৈরি করা হয়েছে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









