অভিনেত্রী ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর কারিনা কায়সারের মরদেহ চেন্নাই থেকে দেশে আসবে আগামীকাল রোববার দুপুরে।
কারিনার বাবা কায়সার হামিদ বলেছেন, মরদেহ দেশে আনার পর প্রথমে রাজধানীর বনানী ডিওএইচএসে তাদের বাসায় রাখা হবে। পরে বনানী ডিওএইচএস মসজিদে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর সোমবার মরদেহ নেওয়া হবে মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায়, কারিনার নানার বাড়িতে। সেখানে তাকে দাফন করা হবে।
লিভার সংক্রান্ত জটিলতা নিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য ১১ মে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে চেন্নাইতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। শুক্রবার রাতে সেখানেই তার মৃত্যু হয়।
কায়সার হামিদ বলেন, “রাত ১টার দিকে চেন্নাইয়ে মারা যায়। হঠাৎ করেই ওর ব্লাড প্রেশার কমে গিয়েছিল। পরে তা আর নিয়ন্ত্রণে আসেনি।”
লিভারের জটিলতা নিয়ে এক সপ্তাহের বেশি সময় রাজধানীর একটি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন কারিনা। অবস্থার অবনতি হলে তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয় চেন্নাইয়ের ভেলোরের খ্রিষ্টান মেডিক্যাল কলেজ (সিএমসি) হাসপাতালে।
বুধবার চেন্নাই থেকে কারিনার মা লোপা কায়সার বলেছিলেন, লিভার প্রতিস্থাপন বা বড় ধরনের অস্ত্রোপচারের ধকল নেওয়ার মত শারীরিক অবস্থায় কারিনা নেই।
সেখানকার চিকিৎসকদের বরাতে লোপা জানিয়েছিলেন, কারিনার ফুসফুসে অনেকটা তরল ও কফ জমে গিয়েছিল। তাই সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে এনে তাকে স্থিতিশীল করার দিকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছিলেন চিকিৎসকরা। তবে অস্ত্রোপচরের পর্যায়ে আর যেতে পারেননি তারা।
‘এ’ লেভেল শেষ করে পড়ালেখার জন্য অস্ট্রেলিয়ায় যাওয়ার আগে একজন শিক্ষানবিশ হিসেবে ইংরেজি ডেস্কে কিছুদিন কাজ করেছেন কারিনা কায়সার।
দেশে ফিরে কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে পরিচিতি পেলেও গত কিছুদিন ধরে কারিনা অভিনয়ে নিয়মিত হচ্ছিলেন। অভিনয়ের পাশাপাশি চিত্রনাট্যকার হিসেবেও পরিচিতি তৈরি হচ্ছিল।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









