হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব শ্যামাপূজা (কালীপূজা) ও দীপাবলি আজ।
রববার (৮ নভেম্বর) কার্তিক মাসের অমাবস্যা তিথিতে প্রতিবছর এ পূজা অনুষ্ঠিত হয়। শক্তি ও শান্তির দেবী শ্যামা মায়ের আরাধনায় হিন্দু সম্প্রদায়ের ঘরে ঘরে চলছে পূজার আয়োজন। এ উপলক্ষে সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে আনন্দ-উচ্ছ্বাস।
বাঙালি সংস্কৃতিতে কালীপূজা ও দীপাবলি উৎসবের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। আলোর উৎসব হিসেবে পরিচিত এ আয়োজনকে বাংলাদেশের হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা ‘দীপাবলি’ এবং অবাঙালি হিন্দুরা ‘দিওয়ালি’ বলে থাকেন। ধর্মীয় এ উৎসব ‘দীপান্বিতা কালীপূজা’ নামেও পরিচিত।
অশুভ ও অকল্যাণের প্রতীক অন্ধকার দূর করে শুভ ও কল্যাণ প্রতিষ্ঠার প্রত্যয়ে শত শত বছর ধরে এ উৎসব পালন করে আসছেন হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা। বাঙালি, অসমীয়া ও ওড়িয়া হিন্দুরা এ তিথিতে কালীপূজা উদ্যাপন করেন।
পঞ্জিকা অনুযায়ী, রবিবার দুপুর ১টা ২ মিনিটে অমাবস্যা তিথি শুরু হবে। আগামীকাল সোমবার বেলা ১১টা ৫৮ মিনিটে শেষ হবে এ তিথি।
কালীপূজা সাধারণত মধ্যরাতে শুরু হয়। একই তিথিতে কালীপূজার পাশাপাশি অনেকে লক্ষ্মীপূজাও করে থাকেন। কালীপূজার দিন সন্ধ্যায় হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা নিজেদের বাড়ি ও শ্মশানে প্রদীপ প্রজ্বালন করেন। এ সময় তারা স্বর্গীয় বাবা-মা ও আত্মীয়স্বজনদের স্মরণ করেন।
রাজধানীর ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির, রমনা মন্দির, রামকৃষ্ণ মিশন ও মঠ, সিদ্ধেশ্বরী কালীমন্দির, সবুজবাগ থানাধীন শ্রীশ্রী বরদেশ্বরী কালীমাতা মন্দির, পুরান ঢাকার রাধাগোবিন্দ জিউ ঠাকুর মন্দির, পোস্তগোলা মহাশ্মশান, তাঁতীবাজার, শাঁখারীবাজার ও বাংলাবাজারসহ বিভিন্ন মন্দির ও পূজামণ্ডপে শ্যামাপূজার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









